৬ দিন আলোচনার পর ব্যার্থ রমজানে মাংসের মুল্য নির্ধারন: রবিউল আলম

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ ৬ দিন  আলোচনার পর ব্যার্থ রমজানে মাংসের মুল্য নির্ধারন, ভারপ্রাপ্ত মেয়র অসহায়, সম্পর্তি বিভাগের নিয়ন্ত্রণে গরু হাট, কোষাগারে জমা হচ্ছে ৫/৬ হাজার, ১১ কোটির হাটের বাকীটা আপোষ রফাদফা হচ্ছে।

বিগত ৬ দিন জনগনে অধিকার একটু কম দামে মাংস খাওয়া জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার জনগণের কাছে পৌচানো জন্য প্রানপন চেষ্টা করেছেন মাননীয় মেয়র জামাল মোস্তফা। ইতিমধ্যে গাবতলি গরুর হাট সম্পর্তি বিভাগের পাতানো খেলায় ইজারাদার শুন্য দেখানো হয়েছে। অজুহাত ছিলো করোনা। ১১ কোটি টাকার হাট ৫/৬ হাজার টাকা প্রতিদিন সিটি কর্পোরেশনে কোসাগারে জমা দিয়ে বিভাগীয় কালেকশন দেখানো হচ্ছে। মাংস ব্যবসায়ীদের দাবী ( ১) সরকার নির্ধারিত গরু হাটের খাজনা বাস্তবায়ন করতে হবে,(২) মাংস ব্যবসায়ী সমিতির অফিস জবর দখল মুক্ত করতে হবে।

এই যুক্তিসংগত দাবী মেয়র সহ সবাই মেনে নিয়ে রেজুলেশন করার সময় প্রধান সম্পর্তি কর্মকর্তার বাধার জন্য মুল্য নির্ধারন হয় নাই। এই আলোচনা ও রমজানে মাংসের মুল্য নির্ধারন বাস্তবায়ন হলে ৫/৬ হাজার টাকা জমা দিয়ে ১১ কোটি টাকার হাট ভোগ করতে পারবেন না, ঘোমরফাক হওয়ার ভয় থেকেই জনগণের অধিকার আদায় হলো না আমরা মনে করছি। ভারপ্রাপ্ত মেয়র, সকল