হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শিশুকে বেঁধে নির্যাতন।

ছবি: হালিমা খাতুন।


পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার প্রান কেন্দ্রের সবুজবাগ এলাকায় প্রতিষ্ঠিত করা হয় তাহাজিবুল বানাত হালিমা খাতুন মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসা। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’হাত পিঠমোরা করে বেঁধে ৯বছরের শিশু বুশরাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষিকা ও তার মা। নির্যাতিত শিশুর বাবা মোঃহাবিবুর রহমান বাদী হয়ে অফিসার ইনচার্জ দশমিনা থানা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,২ বছর পূর্বে বুশরাকে ঐ মাদ্রসায় হেফজ বিভাগে ভর্তি করেন।

বৃহস্পিতিবার রাত ১০ঘটিকায় বিছানার চাদর ইঁদুরে কাটাকে কেন্দ্র করে উন্মে ছালমা ও তার মেয়ে হালিমা খাতুন ছাত্রী বুশরাকে দু’হাত পিঠমোরা করে বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেন। এ ঘটনা কাউকে না জানিয়ে মাদ্রসা কতৃপক্ষ ৪দিন অতিবাহীত করেন। ১০ডিসেম্বর বুশরার পরিবার লোক মারফতে ঘটনার বিষয় জানতে পেরে রাত ১১ঘটিকার সময় বুশরাকে তার মা নাছিমা বেগম উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে
প্রাথমিক চিকিৎসা করান ।

১১ডিসেম্বর বুশরার শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে মা নাছিমা বেগম বুশরাকে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন। ১২ ডিসেম্বর নির্যাতিত শিশুর বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ঐ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা উন্মে ছালমা ও হালিমাখাতুন,মোঃআবু বক্কর ছিদ্দিক,মোঃইব্রাহিম খলিল এবং মোঃনাসির উদ্দিন ইমরান সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দশমিনা থানায় অভিযোগ দেন। মুঠো ফোনে উন্মে ছালমা জনান আমি ঘটনা যানিনা ,ওসি(তদন্ত) ঘটনা স্থলে আছেন। এস এম জালাল উদ্দিন অফিসার ইনচার্জ দশমিনা থানা যানান ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মোঃবেল্লাল হোসেন। দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি।