সোনালী বিড়ি কারখানায় করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে শ্রমিক।

করোনা ভাইরাস নিয়ে রাষ্ট্রের সকল নির্দেশনা উপেক্ষা করে সেখানে প্রায় চার শতাধিক শ্রমিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।
করোনা ভাইরাস নিয়ে রাষ্ট্রের সকল নির্দেশনা উপেক্ষা করে সেখানে প্রায় চার শতাধিক শ্রমিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।

আল-মাহাদী: কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া এলাকায় অবস্থিত সোনালী বিড়ি কারখানায় করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি রয়েছে বলে দাবি করেছে এলাকাবাসী। করোনা ভাইরাস নিয়ে রাষ্ট্রের সকল নির্দেশনা উপেক্ষা করে সেখানে প্রায় চার শতাধিক শ্রমিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। ভেড়ামারা সাতবাড়ীয়া এলাকায় অবস্থিত সোনালী বিড়ি কারখানায় সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শ্রমিকেরা বিড়ি তৈরি করছেন কিন্তু কারও মুখে মাক্স নেই। তামাক স্বাভাবিকভাবেই শ্বাসকষ্টের অন্যতম কারণ এবং সহজে কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত করে।

সেখানে বার বার বিভিন্নভাবে সবাইকে সর্তক করা হচ্ছে, এসময়ে হাচি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের কারণ থেকে দূরে থাকতে। কিন্তু ভেড়ামারা সোনালী বিড়ি কারখানায় করোনা প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সোনালী বিড়ি কারখানার ম্যানেজার অনুপ কুমার জানালেন, এখানে এখন কার্ডধারী সাড়ে তিনশত শ্রমিক কাজ করছেন।

মৌখিক ভাবে সবাইকে করোনা বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কারও মাক্স নেই, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা আছে, মাক্সও দেওয়া হবে। করোনা ভাইরাস ছড়ানোর ক্ষেত্রে এ কারখানার পবিবেশ ভয়াবহ উল্লেখ করলে তিনি জানান, বিষয়টি এখনও তাদের কেউ বলেনি। তিনি বলেন, ভেড়ামারা ও দৌলতপুরে তার কারখানা বাদেও আকিজ বিড়ি, মনমোহন বিড়ি, নাসির বিড়ি ও নুরুজ্জামান বিশ্বাসের বিড়ির কারখানা চালু রয়েছে।

সেগুলোও একই রকম পরিবেশে শ্রমিকরা কাজ করছেন। ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ এ বিষয়ে বলেন, বিড়ি কারখানা বন্ধের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা আসেনি। তবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান তিনি।