সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখনায় করোনাকালীন পন্য পরিবহনে মেরামত হচ্ছে ল্যাগেজ ভ্যান।

রেজা মাহমুদ, নীলফামারী প্রতিনিধি: দেশের বৃহত্তম নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় করোনা সংক্রমন ভীতি উপেক্ষা করে জরুরী পন্য পরিবহন সেবায় মেরামত করা হচ্ছে ল্যাগেজ ভান। বন্ধকালীন সময়ে
কারখানায় দুটি সপ সচল রেখে এ পর্যন্ত ৭ টি ওয়াগন তৈরি করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আরও একটি মেরমতের কাজ চলমান রয়েছে।

গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা যায় কারখানার ডিওএইচ সপে চলছে ব্রডগেজ (বড়) লাইনের একটি ল্যাগেজ ভ্যান মেরামতের কাজ চলছে। কর্মকর্তা – কর্মচারীরা সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে ব্যস্ত মেরামতের কাজে। কারো হাতেই যেন সময় নেই কথা বলার। সাংবাদিক পরিচয় দিলে তাদের মধ্য থেকে একজন এগিয়ে এসে নিজেকে ওই সপের ইনচার্জ ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান পরিচয় দিয়ে বললেন, যা জানার আছে একটু তাড়াতাড়ি বলুন। হাতে একদম সময় নেই।

ঈদের আগেই মেরামত কাজ শেষ করে পন্য পরিবহনের জন্য ল্যগেজভ্যান প্রস্তুত করতে হবে। এভাবে তার ব্যস্ততা দেখে হঠাৎ করে নিজেকে অপ্রস্তুত মনে হচ্ছিল। প্রশ্ন শুরু করতে না করতেই তিনি একটানা বলতে শুরু করেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে তিনটি পন্যবাহী ট্রেন চালু করেছে। রাজশাহী কিংবা খুলনা রুটে খুব শীঘ্রই আরেকটি চালু করা
হবে।

তাই উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নির্দেশে বিরামহীনভাবে কাজ করা হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ে ভ্যান প্রস্তুতিতে। কারখানার কর্মব্যবস্থাপক (ডাবøুএম) জানান সরকার ঘোষিত সাধারন ছুটি চলাকালীন সময়ে গত ৭ মে হতে দুটি সপ সচল রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ডিওএইচ সপে একটি পরিবহন ভ্যান মেরামতের কাজ চলমান যা আগামী ১২ মে হস্তান্তর করা হবে। ইতোমধ্যে ওয়াগন সপে আরো ৭ টি মালবাহী ওয়াগনের মেরামতের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান কারখানার একটিমাত্র ওয়ার্কার গেট খোলা রেখে জীবানুনাশক স্কানার বসিয়ে প্রবেশ ও বহিগমনে নিয়মিত তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। যাতে কেউ সংক্রমিত হয়ে স্বাস্থ্য ঝুকিতে না পরেন। রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডি এস) জয়নুল ইসলাম বলেন, ঝুকি থাকা সত্বেও আমরা পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে মানবিক কারনে বাংলাদেশ রেলওয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রের প্রয়োজনে যেকোনো পরস্থিতিতে রেলওয়ে কর্মীরা মাঠে থাকতে প্রস্তুত আছেন। মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ পেলে স্বভাবিক কর্মে ফিরে যাওয়ার মানসিক প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।