সৈয়দপুরে আগুনে তিন দোকান পুড়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুর ঢেলাপীর হাটে আগুন লেগে ৩ টি দোকানঘর পুড়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর দেয়ার পর সার্ভিসের লোকজনের দেড়িতে আসার অভিযোগ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস অফিস।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুড়ে যাওয়া দোকান তিনটি হলো বিসমিল্লাহ স্টোর, নূর ট্রেডার্স, সাদ্দাম হার্ডওয়ার। পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা মিসমিল্লাহ স্টোরের মালিক আলিম সিদ্দিকী জানান, রাত ৯ টায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাওয়ার পর উল্লেখিত সময়ে আমার সহ তিনটি দোকানে আগুন লেগেছে, এমন খবর জানিয়ে ১২ টা ৪০ মিনিটে নাইটগার্ড তাকে মুঠোফোনে খবর দেয়।

সাথে সাথে আমি স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসকে জানাই। তার দাবি আগুনে তার দোকানের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। কীটনাশক ব্যবসায়ী নূর ট্রেডার্সের মালিক মবিনুর ইসলাম বলেন, মার্কেটের সামনে রাস্তার পাশের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে প্রায় ত্রুটি দেখা দিত। ঘটনার আগের দিনও ট্রান্সফরমার থেকে আগুনের ফুলকি বের হতে দেখে খবর দেয়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন এসে তা মেরামত করে।

তার ধারনা ওই ট্রান্সফরমার থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি দাবি করেন আগুনে তাঁর দোকানের ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সাদ্দাম হার্ডওয়ারের মালিক সাদ্দাম হোসেন তাঁর দোকানের ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হওয়ার দাবি করেন। আসলাম হোসেন নামের এক স্থানীয় বলেন, আগুন লাগার পর সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হলেও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের দেড়িতে আসতে দেখে উত্তরা ইপিজেডের ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর দেয়া হয়।

তাঁরা আগুন নেভাতে ছুটে আসেন। এদিকে, তাদের আগুন নিয়ন্ত্রণের শেষ মুহুর্তে প্রায় ৪০ মিনিট পর সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হোন। সৈয়দপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার মোঃ খোরশেদ আলম সময়মত ঘটনাস্থলে না যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই তারা সেখানে ছুটে যান।

ইপিজেডের দুরুত্ব কম এবং রাস্তা ফাঁকা থাকায় তারা দ্রæত সেখানে আসতে সক্ষম হয়েছে বলে তার দাবি। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের
সূত্রপাত হয়েছে।