রাণীশংকৈলে শত্রুতার জের ধরে বাস্তভিটেতে ভাঙচুর।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: দেশে যখন মহামারী করোনায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, সেখানে নজির বিহীন কিছু ঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটে চলেছে বাংলাদেশে এমনটি দেখা যায় রানীশংকৈল উপজেলার ৫ নং বাচোর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড জয়নাল আবেদিন এর বারিতে গত (১৮ এপ্রিল) বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে সামান্য রান্না ঘরে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

আবার জয়নাল আবেদীন বলছে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে বাড়িঘরে হামলা করা হয়। এতে প্রায় ১ টি বাড়ির ভাংচুর করা হয়, এবং এ হামলায় আহতো হয়েছেন ১ জন। আহত জনকে রানীশংকৈল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রানীশংকৈল হাসপাতালে ডাঃ ফিরোজ আলম বলেন আপনারা এই অবস্থায় রুগিকে হাসপাতালে ভর্তি না করে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা করেন আমি প্রাথমিক চিকিৎসা ও কিছু ঔষধ লিখে দিচ্ছি নিজ বাড়িতে চিকিৎসা করেন।

এ ঘটনায় ক্ষতি গ্রস্থ রুগির মা জানান, স্থানীয় আমার দুই ভাসুর এক ভাতিজা ও ননদ সহ নেক্কারজনক হামলার তান্ডব চালানো হয়।এতে করে প্রায় এক লক্ষ পাঁচ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।তিনি আরো বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার উপর হামলা চালানো হয়েছে । ক্ষতিগ্রস্ত জয়নাল আবেদিন বলেন, গত ১৮ এপ্রিল বিকালে আমি আমার বাস্তভিটেতে রান্না ঘর উঠাতে গেলে আমাকে আমার বাসায় এসে আমার নিজ বড় ভাই খলিলুর রহমান বাঁধা দেয় আমি তার হুকুম না শুনিলে সে আমার আরেক ভাই জয়নাল ও আমার ভাতিজা ওসমান গনিকে হুকুম দেয় এবং আমার উপর তাঁরা একত্রিত হয়ে হামলা চালায়।

এতে করে আমার প্রায় এক লক্ষ টাকা মালামাল লুট করে নিয়ে যায় । এতে করে আমার মেয়ে বাঁধা দিতে আসলে তাকে এলোপাথাড়ি ভাবে মার পিট শুরু করে । আমার মেয়ে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে করতে অজ্ঞান হয়ে যায় আমি তাকে প্রাথমিকভাবে রাণীশংকৈল সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করার জন্য নিয়ে গেলে ডাক্তার আমাকে বলেন এই অবস্থায় এখানে না রেখে আমি প্রাথমিক ট্রিটমেন্ট দিয়ে দিচ্ছি আপনি নিজ বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসার করান। এ বিষয় জয়নাল আবেদীন এর স্ত্রী জানান আমি বাদি হয়ে রানীশংকৈল থানায় মামলা দায় করেছি।