মুকসুদপুরে নিরাপদ সড়ক ও চালকের শাস্তির দাবিতে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন

বিধান মন্ডল ফরিদপুর প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে বাসের চাপায় তিন মটর সাইকেল আরোহী নিহতের ঘটনাঢয় দোসীদের শাস্থির দাবিতে ঘন্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন।রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মুকসুদপুর উপজেলার কলেজ মোড়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে আয়োজকরা নিরাপদ সড়ক ও মহা সড়কে চলাচলে নিরাপত্তার দাবীতে কলেজ মোড়ে দুপাশে দুটি স্প্রিড ব্রেকার নির্মাণের দাবি ও সড়ক নিরাপত্তা আইন কার্যকরের ও গোল্ডেন লাইন পরিবহন বন্ধের দাবি জানান। এক পর্যায়ে ঘন্টাব্যাপি রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে মুকসুদপুর উপজেলা, পৌর, কলেজ ছাত্রলীগ, মুকসুদপুর যুব সমাজ ও মুকসুদপুর ছাত্র সমাজ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে গেলে মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাবির মিয়া ও মুকসুদপুর থানার ওসি শাকের মুহাম্মদ যুবায়ের আন্দোলন কারীদের দাবি মেনে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এসময় তারা জানান, আপনাদের সমস্থ দাবি দাওয়া মেনে নেয়া হবে ও দোষীদের সর্বচ্চ শাস্থি নিশ্চিত করা হবে।

উল্লেখ্য (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১১ টার দিকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী নৈশ কোচের চাপায় ৩ মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার কলেজ মোড় নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, মুকসুদপুর উপজেলার সুন্দরদী গ্রামের বিল্লাল ঠাকুরের ছেলে আল-আমিন ঠাকুর (২২), একই উপজেলার চন্ডিবর্দি গ্রামের আনোয়ার সরদারের ছেলে ফয়সাল সরদার (৩০) ও লখাইরচড় গ্রামের শফি মিয়ার ছেলে লিয়াকত মিয়া (৩২)।

প্রতিক্ষ্যদর্শীরা জানান, মুকসুদপুর কলেজ মোড়ে ঢাকাগামী গোল্ডেন লাইনের একটি নাইট কোচ (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৭৬৯৪) মোটর সাইকেলকে চাপা দিলে মোটর সাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে আটকে যায়। এতে মোটর সাইকেল সহ ৩ আরোহী বাসের সামনের অংশে আটকে যায়। চালক বাস না থামিয়ে চালাতে থাকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে আরোহীরা ছিটকে পড়ে। এদের মধ্যে আল আমিন ঠাকুর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। মুকসুদপুর হাসপাতালে মারা যান ফয়সাল । ফরিদপুর নেয়ার পথে মারা যান লিয়াকত।