মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলছে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টা: আমাদের অনেকেরই ধারণা, ইবাদত মানে শুধু নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি। এ কারণে আমরা ইসলামকে শুধু ব্যক্তি জীবনে ও মসজিদ কেন্দ্রিক আবদ্ধ করে রাখতেই পছন্দ করি। কিন্তু মহান আল্লাহ আমাদের সব কাজকেই ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত করবেন। যদি তা হয় কোরআন-হাদিসের দেখানো পথ অনুসরণ করে।

মানবতার কল্যাণে আত্মনিয়োগ করাও অনেক বড় ইবাদত। আলেম, শিক্ষক, ডাক্তার, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, যে যাই হই না কেন, প্রত্যেকেই যার যার অবস্থান থেকে মানবতার কল্যাণে আত্মনিয়োগ করা অপরিহার্য। কারণ আমাদের সৃষ্টিই করা হয়েছে জাতির কল্যাণে।

তেমনি ভাবে কোরআন ও হাদিসের আলোকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব, শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের প্রিয়মুখ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও সাবেক ছাত্রনেতা আলহাজ্ব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ দীর্ঘদিন যাবৎ দল-মত নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলছেন।

তিনি অসংখ্য মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রথম থেকেই দলের পক্ষে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন। এছাড়াও তিনি তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও অসহায়দের মাঝে সাধ্যমতো সহযোহিতা করেছেন। তিনি নিয়মিতই তাঁর নির্বাচনী এলাকা শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনের দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণকে নানানভাবে সহযোগিতা করে চলছেন।

এদিকে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, শরীয়তপুরের কৃতিসন্তান আলহাজ্ব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হওয়ার পর থেকে শরীয়তপুর সহ সারাদেশে সাংগঠনিক অবস্থা শক্তিশালী হয়েছে।

এ সময় মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, আমি সবসময় মানুষের কল্যাণেই কাজ করছি। এছাড়াও আমি সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। এজন্য সকলের দোয়া ও আর্শিবাদ কামনা করছি।

এব্যাপারে এলাকার জনগণ বলেন, মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন যাবৎ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। সে মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়ায়। আমরা অতীতে তাঁর সাথে ছিলাম, বর্তমানে আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো।