ভালুকয় মুক্তিযোদ্ধা কন্যার শারমিন খানম লামিয়া অসহায় মানুষদের পাশে গিয়ে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন

শরীফ হোসেন  ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায়  এই মানবিক গল্পটি কোন জনপ্রতিনিধির না,কোন দলের শীর্ষ কোন পদের অধিকারীও না। তার পরিচয় তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধার কন্যা। তিনি হলেন ভালুকার বীর মুক্তিযোদ্ধা বরকত উল্লাহ খানের কন্যা শারমিন খানম লামিয়া।

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসে অসহায় মানুষের পাশে দাড়িঁয়েছেন বীরদর্পে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত যার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ছবি ভেঁসে উঠছে। এই মানবিক মানুষটি এই পর্যন্ত ৪শ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন। এই পর্যন্ত ১২টি অসহায় পরিবারের বাচ্চাদের দুধ কিনে দিয়েছেন। ফোন পেলেই ছুটে যাচ্ছেন মানুষকে সাহায্য করতে।

ভালুকা পৌরসভাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ছুটে চলছেন অবিরত। তাছারা তিনি বিকাশের মাধ্যেমে ও হাতে অসহায় গর্ববতী পরিবার, চায়ের ষ্টলের দোকানদারদের মাঝে নগদ অর্থ দিয়েছেন অনেক।  রমজানে নিজ বাসা হতে ইফতার তৈরী করে নিয়ে ছুটে চলছেন রাস্তায় ও অসহায় মানুষের বাড়ীতে বাড়ীতে। কখনও কোন অসহায় মানুষের বাড়ীতে ইফতার নিয়ে  গিয়ে নিজে একসাথে বসে ইফতার করছে।

শারমিন খানম লামিয়া জানান, ‘মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে নিজের অনেক তৃপ্তি পাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ,বঙ্গবন্ধু কন্যা,দেশরত্ন শেখ হাসিনা জাতির এই ক্লান্তিলগ্নে যার যার অবস্থান থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমার প্রিয় নেত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমি আমৃত্যু মানুষের পাশে থাকতে চাই। আমার এই কার্যক্রম দেশ ঠিক না হওয়ার আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ‘

স্থানীয় সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম জানান, ‘লামিয়া আসলেই একজন মানবদরদী সমাজসেবিকা। তিনি গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভালুকা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার পর থেকে ভালুকাবাসীর নজরে আসেন। নির্বাচনে বিজীত হওয়ার পরও বীরদর্পে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। জাতির এই ক্লান্তিলগ্নে মানুষের পাশে যেভাবে লামিয়া দাড়িঁয়েছেন তা প্রশংসার যোগ্য।