ভালুকার অসহায় ২শ পরিবার পাচ্ছে ,ব্লাড ডোনার্স সোসাইটির মানবিক খাদ্য সহায়তা

শরীফ হোসেন ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় সারা বিশ্বেই করোনার মহামারী চলছে। ঝরে যাচ্ছে শত শত প্রাণ। মানুষ প্রাণ বাঁচাতে নিজেকে করে ফেলেছে গৃহবন্দি। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেক মানুষই। দিন এনে দিন খায় এমন মানুষের সংখ্যাটা এই দেশে কম নয়।

করোনার প্রাদুর্ভাবে ঘরবন্ধী মানুষ,তাদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার,কিন্তু এমন মানুষ আছে যারা ভাসমান,স্থানীয় বাসিন্দা না হওয়ায় সরকারে ত্রাণ হতে বঞ্চিত হয়ে,থাকতে হচ্ছে অনাহারে। যারা দীর্ঘ এই কর্মহীনতায়  খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছে। এমনকি তারা মানুষের কাছে হাত পাততেও পারছেন না। কেউবা চক্ষু লজ্জায় আবার কেউবা পাচ্ছেন না চাওয়ার মতো জায়গাও নেই তাদের।

সমাজের এমন মানুষদেরকে খুজে বের করে,তাদের ঘরে-ঘরে গিয়ে ,ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি ভালুকার একঝাক মানবিক তরুন সেবায় পরম আত্নতৃপ্তি নিয়ে নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছে মানবতার সেবায়।

প্রাথমিকভাবে ২শ পরিবারের মাঝে ১০দিনের খাদ্য প্যাকেজে ৫ কেজি চাউল ৩ কেজি পেয়াজ,৩ কেজি আলু,১ কেজি তেল,১ কেজি ডাউল,১ টি সাবান ও ১ কেজি লবনের মানবিক ব্যাগ নিজের কাঁদে করে,পৌছে দিচ্ছেন,অসহায় মানুষের দ্বারগোড়ায়। ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি ভালুকার সভাপতি এস এম ফিরোজ আহম্মেদ ” এর নেতৃত্বে রাতের আঁধারে  কিংবা দিবালোকে এসব খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে একেকটি বাড়িতে।

মানবিক  সেচ্ছাসেবী দলনেতা ব্লাড ডোনার্স সোসাইটির সভাপতি এস এম ফিরোজ আহম্মেদ ” জানায়, ভালুকার একঝাক তরুন নিজেদের বিলিয়ে দিয়েছে মানবতার সেবায়, দিন রাত ঝড় বৃস্টি এমকি রমজানের রোজা রেখেও মানবতার সেবায় হাসি মুখে করে যাচ্ছে,জীবন বিপন্ন মানুষকে রক্ত দান,করে বাঁচিয়ে তুলছে। এতেই তাঁরা সন্তুষ্ট নয় রয়েছে আরো ভালো কিছু করার উদ্দেশ্য, আর তাই সকল সদস্যদের সাথে আলোচনা করে প্রথম ধাপে ২শ পরিবারের ১০ দিনের খাবার উপহার গৃহবন্ধী মানুষের ঘরে পৌছে দেয়া হচ্ছে।

আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, তাদের প্রতি  যারা আমাদের ডাকে  সাড়াদিয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন। আমরা স্বেচ্ছাসেবীরা উপলব্ধি করছিলাম ভালুকা শিল্পনগরী হওয়ায় এখানে বাহির অঞ্চলের মানুষ রয়েছে তারা দিন মুজুর নিন্মবিত্ত অসহায় কিন্তু তারা খুব সহজেই কোনো ত্রান বা সহযোগিতা পাছে না, কারন তারা (বহিরাগত)  শুধুই কাজের তাগিতেই রয়েছেন এসব এলাকায়, তাই “ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি” প্রতিটি পরিবারকে  খুজে-খুজে বের করে খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হচ্ছে । করোনা ভাইরাস নির্মুল না হওয়া পর্যন্ত  আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।