ভালুকায় নারী গার্মেন্টকর্মী ধর্ষণের শিকারঃ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

শরীফ হোসেন ভালুকা প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকায় খালী বাড়ীতে রাতের আধাঁরে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক গার্মেন্টকর্মী নারী। এ ব্যাপারে ধর্ষিত ওই গার্মেন্টকর্মী বাদী হয়ে মিনহাজ উদ্দিনের নামের এক যুবককে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় অভিযোগ করেছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বান্দিয়া গ্রামের খলিল কবিরাজের মেয়ে (২১) স্থানীয় একটি গার্মেস্টসে চাকুরী করে। গার্মেস্টসে ডিউটিতে যাওয়া আসার সময় প্রায়ই একই গ্রামের মুঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ উদ্দিন বিভিন্ন সময় নানা ভাবে বিরক্ত করতো এবং প্রেমের প্রস্তাব দিতো । এক পর্যায়ে তাদের মাঝে সম্পর্ক গড়ে উঠে। কিছুদিন পর মিনহাজ ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে শারিরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং মেলামেশায় লিপ্ত হয়। মাঝেমধ্যে ওই নারী মিনহাজকে বিয়ের কথা বললে মিনহাজ নানা টালবাহানায় কালক্ষেপন করে।

ধর্ষিতা নারী গার্মেন্টসকর্মী জানান, ‘তাঁর মা শরুফা বেগম বড় বোনের বাড়ীতে বেড়াতে যান। তখন আমাকে খালী বাড়ীতে একা পেয়ে গত ৯ মে মধ্য রাতে ঘরের দরজার সামনে এসে মিনহাজ দরজা খুলতে বলে, দরজা না খোলতে চাইলে আত্মহত্যা সহ নানা ভয়ভিতি দেখিয়ে এক পর্যায়ে দরজা খোলতে বাধ্য করে। পরে মিনহাজ ঘরে ঢুকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ভাবে তাকে ধর্ষণ করে।এক পর্যায়ে বিষয়টি এলাকাবাসী টের পেলে মিনহাজের বাড়ী লোকজন স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে নানা রকম হুমকি দেন।

পরদিন ধর্ষিতা নারীর মা মেয়ের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল ভর্তি করেন। ১১ মে ধর্ষিতা নারী নিজেই বাদী হয়ে মিনহাজ উদ্দিনের নামে ভালুকা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগের পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠে পরে লেগেছে  মিনহাজের চাচা আব্দুল হাই স্বপন, আলী হোসেন, পলাশ আহাম্মেদসহ স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল।

ধর্ষিতা নারী জানান, অভিযোগ তুলে নিতে তাকে এবং তার পরিবারকে নানা প্রকার চাপ প্রয়োগসহ হুমকি দিয়ে আসছে প্রভাবশালী ওই মহলটি। এ ব্যাপারে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার এসআই নজরুল ইসলাম জানান, ‘অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে