বাল্যবিবাহর ছোবল থেকে মুক্তি পেল ১৩ বছরের শিশু। 

বিধান মন্ডল ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকারের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলো অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া একজন শিক্ষার্থী। সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের সোনাতুন্দী গ্রামে ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া একজন ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। অদ্য শুক্রবার দুপুর ১টায় মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোহাম্মদ হাসিব সরকার কর্তৃক পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিবাহ করতে আসা গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুরের নয়াদিঘির পাড় নিবাসী বর আরিফ ফকির (২৩) পিতা সিরাজ ফকির-কে আটক করা হয়।

বরপক্ষ ও মেয়েপক্ষ উভয়ই সরকার নির্ধারিত মেয়েদের জন্য ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বাল্যবিবাহ করবেনা বা করাবেনা মর্মে স্ট্যাম্পে মুচলেকা প্রদান করেছে। মেয়েকে যেন অভিভাবক গোপনে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে বিয়ে দিতে না পারে এবং মেয়েটি যাতে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারে এজন্য স্থানীয় একজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে জিম্মাদার হিসেবে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

অতঃপর বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ এর ৭ ধারা মতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে করতে আসার অপরাধে বরকে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা এবং একই আইনের ৮ ধারা মতে নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দেবার আয়োজন করায় মেয়ের বাবাকে ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়েছে।