বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী নিয়ে কটূক্তি করা পলাতক আসামি মেহদী মাসুদ গ্রেফতার


আবু বক্কার, সাপাহার( নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর  সাপাহারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে নিয়ে কটূক্তি কারী পলাতক আসামি মেহেদী মাসুদ (২৭) গ্রেফতার করছে থানা পুলিশ। জানাগেছে আশড়ন্দ কাটনি পাড়ার মৃত আব্দুর রশিদের  ছেলে মেহেদী মাসুদ আশড়ন্দ বাজারে কম্পিটার দোকন    দিয়ে প্রায় ৭ -৮ ধরে ব্যবসা করে আসছিলেন।

গত ১২ মে পাতাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি ও জালশুকা গ্রামের সেতাবুর রহমানের ছেলে সাইদুর রহমান  দলীয় সাংগঠনিক মিটিং করছিলেন দলীয় কার্যালয়ে। মিটিং শেষে ১২:৩২মিনিটে  তার নিজ ফেইসবুক  Md saidur Rahaman Bls আইডি তে দুটি ছবি আপলোড করে সেই আইডি মেহেদী মাছুদ তার ব্যবহৃত  Mehedi Mehedi  আইডি থেকে দুপুর ২:১৯ মিনিটে” মূর্তি পুজার দল” মূর্তিপুজা আর মূজিব পূজার মৌলিক পার্থক্য নেই ” বলে বাজে কমেন্টস করে মেহেদী মাসুদ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান শ্রদ্ধার ছবি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ভারতের  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নমস্কারে ২ টি ছবি যুক্ত করে কটূক্তিমুলক কমেন্টস করে যা স্বাধীনতা ও দেশ বিরোধী সামিল, এমন কমেন্টস জাতির পিতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে ,অসম্মানজনক, মানহানিকর,রাষ্ট্রের মান ক্ষুন্নকরা, জনসাধারণের মধ্যে অস্থিরতা ও  বিশৃংখলা সৃষ্টির কারনে থানায় উপস্থিত হয়ে  ডিজিটাল নিরাপত্তা ও দেশের প্রচলিত  আইনে মামলা দায়ের করেন ছাত্রলীগ নেতা সাইদুর রহমান ও ছাত্রলীগ নেতা মোফাচ্ছের হোসেন সাদ্দাম । খবর পেয়ে গত প্রায় ২৪ দিন পলাতক ছিলো  আসামি মেহেদী মাসুদ ।

সাপাহার থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই এর নির্দেশে এসআই নয়ন কর নেতৃত্বে ডিজিটাল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পলাতক আসামির  প্রতিদিনেরর লোকেশন ট্যাগকরে নিবিড় তৎপরতার মাধ্যমে  সঙ্গী ফোর্স নিয়ে ৬ জুন  রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে সাপাহার বাজার থেকে সেই  কটূক্তি কারি পলাতক আসামি কে গ্রেফতার  করে থানায় নিয়ে আসে থানা পুলিশে একটি চৌকস দল।

এ বিষয়ে কথাহলে ওসি আব্দুল হাই জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়ে কটূক্তি কারী পলাতক আসামি  মেহেদী মাসুদ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইতি মধ্যে থানায় একটি মামলাও হয়েছে।  প্রচলিত নিয়মে আসামি কে  আজ নওগাঁ কোর্ট জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

অপরদিকে বঙ্গবন্ধু ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়ে কটূক্তি কারি  সেই মেহদী মাসুদের দ্রুত বিচার দাবি করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি করেন  স্থানীয়  দলীয় নেতাকর্মীরা এবং তাদের  মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করতেও  দেখা গেছে।