বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে চায় মোঃ মিজানুর রহমান লিটন।


মো: ইব্রাহিম হোসেন: হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে চায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (মরহুম) শহীদ নিজাম উদ্দিন আহমেদ এর সন্তান মোঃ মিজানুর রহমান লিটন। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (মরহুম) শহীদ নিজাম উদ্দিন আহমেদ এর বিষয়ে খোঁজ নিলে এলাকাবাসী বলেন, তিনি একজন মহান ব্যাক্তি ছিলেন, তাই তারই মত আরেক মহান নেতা পেয়েছি তারই সুযোগ্য সন্তান মোঃ মিজানুর রহমান লিটন।

মহান বাবার মহান ছেলে আমরা তার সব ধরনের কাজকে স্বাগতম জানাই। মনে হয় আমাদের মাঝে এখনো বেঁচে আছেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (মরহুম) শহীদ নিজাম উদ্দিন আহমেদ। এলাকাবাসি আরো জানায় মোঃ মিজানুর রহমান লিটন তার বাবার মত পারলে মানুষের উপকার করে কারও কোনো ক্ষতি করেনা। তার মত একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান নেতা দরকার আমাদের।

তিনি তৃনমুলের আওয়ামী লীগকে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে কর্মীদের উৎসাহ যুগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান তিনি ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য। মোঃ মিজানুর রহমান লিটনের পিতা- মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (মরহুম) শহীদ নিজাম উদ্দিন আহমেদ, যুদ্ধকালীন কমান্ডার ৯ নং সেক্টর, ৩ জোনে ছিলেন। বরিশালের নিজাম উদ্দিন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। মাতা- সৈয়দা আকলিমা বেগম (বীর মুক্তিযোদ্ধা) তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুবই কাছের মানুষ ছিলেন।

১৯৭০ সালে ভোলা ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়, যা ভোলা দ্বীপের দক্ষিণদিককে একেবারে ধ্বংস করে দেয় এবং ধান সহ বিভিন্ন ফসলের জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। ঐ সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যের করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে নীজের তহবিল থেকে চেক তুলে দেন।এ ছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন প্রোগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (মরহুম)শহীদ নিজাম উদ্দিন আহমেদের দাওয়াত দিতেন।

দৈনিক বাংলায় প্রতিদিন পত্রিকার সাখে সাক্ষাৎকারে মোঃ মিজানুর রহমান লিটনের বলেন, আমি ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পথচলা শুরু করি ১৯৮৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এবং স্বৈরাচার এরশাদ সরকার পতনের রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে। জীবিকা নির্বাহের জন্য ১৯৯১ সালে ইতালি গমন করি, সেখানে যেয়েও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ি।

১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সমিতি-ইতালি সর্বাধিক ভোটে দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়।১৯৯৫ সালে ইতালি আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইতালি আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করি। আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যখনই ইতালি সফরে যেতেন, তখনই ইতালি আওয়ামী লীগকে কর্মীদের সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকতেন।

মোঃ মিজানুর রহমান লিটন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডর সাথে জড়িত। তিনি মোহাম্মদপুর দুর্জয় সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, মোহাম্মদপুর ক্লাবের প্রতিষ্ঠা ও সভাপতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, মোহাম্মদপুর থানার সহ-সভাপতি, উপদেষ্টা যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সন্তান কমান্ড, উপদেষ্টা যুদ্ধাহত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সন্তান বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দারুস সালাম কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি, মুলাদী, গৌরনদী বরিশালে নিজাম উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের গভনিং বর্ডির সদস্য, তত্বাবধায়ক ও আজীবন সদস্য, মসজিদ এ বায়তুল হারাম লালমাটিয়া, সভাপতি বাংলাদেশ উশু ফেডারেশন মোহাম্মদপুর থানা শাখার।

মোঃ মিজানুর রহমান লিটন ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে, নির্বাচন থেকে সরে দাড়ান।দলের স্বার্থে এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তিনি যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা নিসন্দেহে প্রশংসনীয়।নিশ্চয়ই দল থাকে মোহাম্মদপুর থানা বা ৩১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্মানজনক পদ দিয়ে মূল্যায়ন করবে বলে এলাকাবাসী আশাবাদী।

দৈনিক বাংলায় প্রতিদিন পত্রিকার সাখে সাক্ষাৎকারে মোঃ মিজানুর রহমান লিটন আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে লালন করে জীবন বাজি রেখে দলীয় সকল নির্দেশনা পালন করে এসেছি। আমি আশা-প্রকাশ করছি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি জনপ্রিয় নেতা শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি এবং ঢাকা-১৩ আসনের মাটি ও মানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব সাদেক খান এম.পি, মোহাম্মদপুর থানা বা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আমাকে সম্মানজনক পদ দিয়ে মূল্যায়ন করবেন।

তিনি আরো বলেন, মোহাম্মদপুর থানা বা ওয়ার্ডে আমাকে সম্মানজনক পদ দিলে নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়ন নিরলসভাবে ভাবে কাজ করে যাবো। এলাকা থেকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দূর্নীতি বন্ধ করে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটাব এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বীশেষে সকল মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।