ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভুমি দস্যুর সহায়তায় বর্গাচাষী মালিক সেজে বসেছে।

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টাবনী গ্রামের মৃত গুরুদাস অবর্তমানে তার বর্গাচাষী কালীপদ বিশ্বাস গং মালিক সেজে বসেছে গুরুদাস ওরফে হারান ঘোষের উত্তরসূরীরা এখন আইনী সহয়তা চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে এমনি অভিযোগ তুল্লেন তার সন্তানেরা তথ্যসূত্র জানা যায়, ১৯২৭ইংরেজি সালে ২৯শে মার্চ তারিখে তৎকালীন যশোর জেলার টুনা মৌজার ১৭৮ও ৪৫৪ নং খতিয়ানের ৫৬০১ নং দাগের ২৮ শতাংশ জমির মালিক প্রসন্ন কুমার পাল ভোগ দখলে থাকা অবস্থায় ১৩৫৯নং পাট্টা দলিল মুলে টাবনী গ্রামে নিবাসী প্রিয়নাথ ঘোষের দুই স্ত্রী যথা ক্রমে কামিনি সুন্দর ঘোষ ও জ্ঞানদা সুন্দরী ঘোষ কে পত্তন দিয়ে ৬০টাকা শেলামী গ্রহন করে বিধিমোতাবেক সত্তবান দখল ত্যাগী হন উভায় স্ত্রী নিঃসন্তান মৃত্যুর পর প্রিয়নাথ ঘোষ নিজেই উক্ত সম্পতির মালিক হন দুই স্ত্রী নিস সন্তান হয়ায় পর প্রিয়নাথ ঘোষ তৃতীয় স্ত্রী হিসাবে চপলা সুন্দারী ঘোষ কে বিয়ে করেন চপলা সুন্দরীর গর্ভে প্রিয়নাথ ঘোষের ঔরসে এক পুত্র সন্তান গুরুদাস ওরফে হারান ঘোষ এর জন্মহয় গুরুদাস ওরফে হারান ঘোষের ৪ পুত্র যথাক্রমে বিদ্যুৎ কুমার ঘোষ,প্রদ্যুৎ কুমার ঘোষ সুদর্শন কুমার ঘোষ ও দেবাশীষ কুমার ঘোষকে উত্তরসুরী রেখে ১৯৯০ সালে মৃত্যু বরন করেন, উত্তরাধীকার সুত্রে মালিক হওয়া চার ভ্রাতা তাদের পিতার বর্গাচাষী কালীপদো বিশ্বাস কে জমী দেখা শুনার দায়িত্ব দেন দীর্ঘকালের বর্গাচাষী গ্রামের কুটপ্রকৃতির ভূমিদস্যু লোকের সহায়তায় বর্তমানে মালিক বনে গিয়ে উল্লেখিত জমি অন্যের কাছে বিক্রির পায়তারা চালাচ্ছে এ জমির প্রকৃত মালিকগণ বিশ্বস্তসূত্রে খবর পেয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন কালিপদ বিশ্বাস তাদের সরলতার সুযোগে অভিবাবক সেজে নিজের নামে ৫৩৩১নং বিএস রেকর্ড করিয়ে নিয়েছেন।

এ ঘটনা জানার পর বিদ্যুৎ কুমার ঘোষ,প্রদ্যুৎ কুমার ঘোষ সুদর্শন কুমার ঘোষ ও দেবাশীষ কুমার ঘোষ আইনের আশ্রয় নেন যথাক্রমে কালিপদ বিশ্বাস(৮০) পিং উপেন্দ্রনাথ, শান্তিলতা বিশ্বাস, স্বামী, কালিপদ বিশ্বাস,খগেন বিশ্বাস, কিশোর বিশ্বাস, অশোক বিশ্বাস, সর্বপিং কালিপদ বিশ্বাস,সাং টাবনী,উপজেলা আলফাডাঙ্গা,গংকে বিবাদী করে বিজ্ঞ আলফাডাঙ্গা সহকারী জজ আদালত, ফরিদপুরে মামলা দায়ের করেন।

যাহার মামলা নং দেওয়ানী ৭৪/১৮ এছাড়াও উক্ত জমির উপর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ফরিদপুর ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। ১৪৪  ধারা অমান্য করে ঘর উত্তলন করেছে এবং ফসল কেটেছে। যা স্মারক নং ৪৫৩,তাং ১৩.৭.২০২০.ইংরেজী বিজ্ঞ আদালত উক্ত জমি ক্রয়-বিক্রয় আইনআমলে নিষিদ্ধ করেছেন।

বাদীগন অভিযোগ করেন বিবাদীগন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে নালিশি তফসিল ভুক্ত জমিতে ঘর উত্তোলন ও ফসল উৎপাদন করেছিল বাদীগন আলফাডাঙ্গা পিঃ নং ২৩৩/২০ বিবাদীর বিরুদ্বে দঃবিঃ ১৮৮ধারা মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আদেশ চেয়ে আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালীপদ বিশ্বাস ও তার সন্তানেরা জানান,আদালতে বিচারাধীন বিষয় আদালতের সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নিবো।