নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ভুমিদস্যু আনোয়ার কর্তৃক হয়রানী থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগির সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ৮নং বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুজাহিদ পুর গ্রামের সন্ত্রাস, ভুমিদস্যু আনোয়ারের হয়রানী থেকে বাচঁতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন একই এলাকার মোহাম্মদ উল্লাহ মেস্তুরী বাড়ির ভুক্তভোগী আবদুল মালেক। বুধবার দুপুর ৩ টায় জেলা শহর মাইজদীর একটি স্থানীয় পত্রিকা অফিসে তিনি এ জনাকীর্ন সংবাদ সম্মেলন করেন।

আবদুল মালেক সম্মেলনে অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জ থানাধীন ১৭৫ নং মুজাহিদপুর মৌজার জেলা জরিপী ৯৪ নং ও ২৪৯ নং খতিয়ানে ১.৪০ ডিং ভুমির হাছান আলী মুল মালিক ছিল। ঐ খতিয়ানের ভুমি খাজনা আইনে উচ্ছেদ হলে মন্তাজ মিয়া গং মালিক হয়। পরবর্তীতে ৯/১২/১৯৩৭ ইং কবুলিয়ত মুলে জেলা জরিপী ৯৪ নং খতিয়ানের আরটি হাছান আলীর ওয়ারিশ রাজা মিয়া, তরিকের নেছা ও মহব্বতের নেছা মন্তাজ মিয়া গং হইতে বন্দোবস্ত সুত্রে পুনরায় মালিক দখলদার হয়।

বন্দোবস্ত গ্রহিতা মহব্বতের নেছার অংশ তাহার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ ৩ পুত্র মোহাম্মদ উল্যা . আবুল খায়ের, আবদুল মালেক ও ১ কন্যা নুরের নেছা মালিক হয়। অপরদিকে আরেক গ্রহিতা তরিকের নেছার ওয়ারিশ গনের মধ্যে রহমত উল্যা অধিকাংশ জমি বিক্রি করে ফেলে। কতেক জমি আমি আবদুল মালেক ও খরিদ করি। রহমত উল্যার ওয়ারিশ ভুমিদস্যু আনোয়ারের কলূপ দৃষ্টি পড়ে আমার সম্পত্তির উপর তাই তিনি ভুয়া দলিল সৃজন করে বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানী মুলক মামলা করলে তা আমার পক্ষে রায় ডিগ্রি হয়।

এতে ক্ষান্ত হয়নি ভুমিদস্যু আনোয়ার একের পর এক মামলায় হেরে গিয়ে এখন আমার জমি জোরপুর্বক দখলের হুমকি দিচ্ছে । এদিকে উকিল মতামতও আমার পক্ষ্যে রায় হয়। স্থানীয় চেয়ারম্যানের আদালত ও আমার পক্ষে রায় হয়। কিন্তু আনোয়ার শক্তি প্রয়োগ করে আবদুল মালেকের সম্পত্তি দখলের পায়তার করছে বলে তিনি এ সংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন। এছাড়াও আনোয়ার অন্য আরেক ওয়ারিশও খরিদসুত্রে মালিক আবু সাইদের নিজ সম্পত্তির উপর দালান নির্মানে বাধা সৃষ্টি করে বেগমগঞ্জ সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) এর কাছে মিথ্যা অভিযোগ করে তাকেও হয়রানি করেন। কিন্তু সেখানেও তিনি হেরে যান।

তার পরও তাকেও হুমকি দিচ্ছেন বলে আবু সাইদ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী, ভুমিমন্ত্রী ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ করেন আবদুল মালেক। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আবদুল মালেক, নুরুল ইসলাম, মোঃ আবু সাইদ, মোঃ ইব্রাহিম লিটন, মোঃ আবদুল হাই ।