দশ দিন পরে তিন করোনা রোগী শনাক্ত, পালিয়ে রয়েছে একজন

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলীতে গত ১০ দিন পরে তিন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা নিলেও অপর আক্রান্ত একজন পলাতক রয়েছে। আক্রান্তের বাড়ী লকডাউন করা হয়েছে।

পলাতক রোগীকে খুজছে পুলিশ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাগেছে, গত ৩১ মে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের চা বিক্রেতা (৩৫) ও ১লা জুন পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড হাসপাতাল সংলগ্ন একটি ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারের ম্যানেজার (২৫) ও ঔষধ কোম্পানী হেলথ কেয়ারের প্রতিনিধি (২৬) এর নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর এ পাঠানো হয়।

গতকাল (বুধবার) রাত সারে ১১টায় দিকে তাদের তিন জনের রিপোর্ট হাসপাতালে এসে পৌছায়। রিপোর্টে তাদের তিন জনকে করোনা পজিটিভ উল্লেখ করা হয়েছে। এদের মধ্যে চা বিক্রেতা ও ঔষধ কোম্পাণীর প্রতিনিধি হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা নিলেও ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারের ম্যানেজার পলাতক রয়েছে। প্রশাসন আক্রান্তের বাড়ীসহ আশপাশের ১০টি বাড়ী লকডাউন করেছেন।

পলাতক করোনা আক্রান্ত রোগীকে খুজে বের করতে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শংকর প্রসাদ অধিকারী জানান, আক্রান্তদের বাড়ি লকডাইন করা হয়েছে। আক্রান্ত তিন জনের মধ্যে দুই জনকে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা দেয়া হবে। অপর আক্রান্ত পালিয়ে রয়েছে তাকে খুজে বের করার জন্য পুলিশকে জানানো হয়েছে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহআলম হাওলাদার আক্রান্তের বাড়ী লকডাউন করার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পলাতক করোনা রোগীকে খুজে বের করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন বলেন, আক্রান্তদের বাড়ীসহ আশপাশের ১০টি বাড়ী লকডাউন করা হয়েছে। লকডাউন করা বাড়ীর লোকজনকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৪ দিন বাড়ীতে অবস্থান করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দুইজন চিকিৎসক তাদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা ও স্বাস্থ্যের খোজখরব নিবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আক্রান্তের বাড়ীতে ফলমূল পাঠানো হবে। উল্লেখ্য গত ৯ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত আমতলী উপজেলায় ১৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে একজন হাসপাতালের আইসোলেশনে, দুই জন হোম আইসেলেশনে ও একজন পলাতক রয়েছে। বাকীরা চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়েছেন।