দশমিনা উপজেলায় ১৩০ টি আশ্রায়ন কেন্দ্র প্রস্তুত মধ্যরাতে শুকনো খাবার নিয়ে উপস্থিত মোসাঃতানিয়া ফেরদৌস।

মোঃ বেল্লাল হোসেন,দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় আসফান মোকাবেলায় দশমিনা উপজেলা প্রশাসন ১৩০টি আশ্রায়ন কেন্দ্র প্রস্তুত করেছেন। আশ্রায়ন কেন্দ্রে অবস্থান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন দশমিনা সকল জনগনকে। গতকাল রাত আনুমানিক ১.১৫মিঃ এ দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃতানিয়া ফেরদৌস দশমিনা হাজিরহাট আশ্রায়ন কেন্দ্রে অবন্থার কারিদের জন্য শুকনো খাবার নিয়ে পরিবেশর করেন।

২০মে সকাল থেকে সন্ধা ৬ঘটিকা পর্যন্ত দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখাযায় দশমিনা তেতুলিয়া নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪-৫ফুট পানি বৃদ্বি পেয়েছে। নদী উত্তাল বাতাসের গতিবেগ ক্রমানয়ে বেড়েই চলেছে। দশমিনা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন চরবোরহান এবং দশমিনা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের একটি অংশ চরহাদী চারদিকে নদী বেষ্টিত।

মোসাঃতানিয়া ফেরদৌস জানান,দশমিনা উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবেলায় দশমিনা উপজেলার সকল জনসাধারনের জানমাল হেফাজতের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে ১৩০টি আশ্রায়ন কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে আশ্রায় কেন্দ্রে সকল জনসাধারনকে আশ্রায় নেয়ার জন্য সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার,চৌকিদার,সিপিপি সদস্যদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন চরবোরহান এবং চরহাদীর জনগনকে আশ্রায় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।

আমি প্রত্যেকটি আশ্রায় কেন্দ্রের খোজ রাখছি। দশমিনা উপজেলায় প্রশাসনের নির্দেশনায় সিপিপির ১১৯৫ জন কর্মী মাঠ পর্যায় কাজ করছে বলে জানান, দশমিনা সিপিপি ইউনিটের ইউনিট লিডার নুরুল হক হাওলাদার। তিনি বলেন গত মধ্য রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার,উপজেলা অফিসার ইনচার্জ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা,সহকারি পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হাজির হাট আশ্রায়ন কেন্দ্রে শুকনো খাবার নিয়ে আসেন।

অদ্যদিন দশমিনা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি,উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ আশ্রায় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ও দশমিনা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান,দশমিনা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড.ইকবাল মাহমুদ লিটন ২০০জনের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করেন। আমরা বর্তমানে জনসাধারনকে আশ্রায় কেন্দ্রে আনার জন্য কাজ করছি।