দশমিনা উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন, সাবেক কৃষক লীগ সভাপতির নেতৃত্বে ধান কাটা।

মোঃ বেল্লাল হোসেন,দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি: পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি। করোনা ভাইরাস প্রাদুর্বাবে কৃষকের পাকাধান নিয়ে বিপাকে পড়ায় কৃষকের পাশে সাবেক উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি নুরুল হক হাওলাদার।

দশমিনা উপজেলায় সকাল ১০ঘটিকার সময় হাজিরহাট এলাকায় নুরুল হক হাওলাদারের নেতৃত্বে ১০/১২ জন মিলে ১০একর জমির পাকা বোরো ধান কাটার কাজ শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দশমিনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসাঃতানিয়া ফেরদৌস। দশমিনা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড.ইকবাল মাহমুদ লিটন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বনি আমিন খান। দশমিনা উপজেলা কৃষি অফিসার জাফর আহমেদ। দশমিনা উপজেলা জাইকা প্রতিনিধি মোঃনাজিউর রহমান প্রমূখ।

বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে আনন্দ থাকলেও মোঃকামাল হাং,মোঃশহিদুল মৃধা, আলতাফ মৃধা,মোঃজলির হাং বলেন দশমিনা কৃষি অফিস আমাদের ,পাওয়ার টিলার,সেচ পাম্প, কীটনাষক, শুদ্ধবীজ সবরাহ করলে আমরা আরো বেশি জমিতে বোরো ধানের চাষ করতাম।

 উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, দশমিনা উপজেলায় বোরোধানের ফলন ভালো। দশমিনা উপজেলায় বোরো ধানের চাষের জন্য আগামীতে এ পরিধি আরো বৃদ্ধি করার জন্য সংশ্লস্ট কতৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলবো। করোনা ভাইরাস এর কারনে কৃষক পাকা ধান নিয়ে শ্রমিক সংকটে না পরে তার জন্য ধান কাটায় কৃষকের পাশে যে সকল ব্যক্তিরা দাড়িয়েছেন তাদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন,এ বছর দশমিনা উপজেলায় ২২৩ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফলন ভালো। বাংলাদেশ কৃষি প্রদান দেশ। বাংলাদেশ সরকার কৃষি খেত্রে সর্বোচ্চ অর্গাধিকার দিচ্ছে তাই আগামী বছর বোরো ধান চাষের জন্য কৃষকের সকল প্রকার সুযোগ প্রদানে দশমিনা কৃষি অফিস উপরমহলে আলোচনা করে কৃষকের সমস্যা সমাধান করার চেস্টা করা হবে বলে জানান।