দশমিনা উপজেলার রিস্কাচালক সহ সাধারন জনগন মানছেনা লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব।

মোঃবেল্লাল হোসেন,দশমিনা উপজেলা প্রতিনিধি: (কোভিড-১৯)করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার বাংলাদেশরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারন ছুটি ঘোষনা করেন। করোনা ভাইরাস এ প্রাদুর্ভাব থেকে সকল জনসাধারনকে রক্ষা করার জন্য লকডাউন ঘোষনা করা হয়। পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় সরকারের প্রদেয় নির্দেশ মোতাবেক দশমিনা উপজেলা প্রশাসন,দশমিনা থানা পুলিশ,সিপিপি সদস্য,বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন করোনা মোকাবেলায় সামাজিক সচেতনতায় তৃনমূল পর্যায় প্রচার-প্রচারোনা পরিচালোনা করে।

লকডাউনে থাকা জনগনকে যাহাতে অভূক্ত না থাকে তার কারনে সরকার প্রধান মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উপহার ত্রান বিতরন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা(এমপি)। দশমিনা উপজেলা প্রশাসন কতৃক ত্রান বিতরন করেন উপজেরা চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া ফেরদৌস। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন ওয়ার্ড পর্যায় ত্রান বিতরন করেন। চালু আছে প্রধান মন্ত্রীর ১০টাকা কেজির চাল, জেলেচাল, বিজিডি সহ সকল সুবিধা।

দশমিনা উপজেলায় সরকারের প্রদেয় লকডাউন শুরুথেকে মানছেনা রিস্কাচলক,মাহেন্দ্র ট্রাক্টর,অট্যোচালক,লোক জনের অবাদ বিচরন করছে তোয়াক্কা করছেনা প্রশাসনের বাধানিষেধ। গত২০এপ্রিল দুপুর ২ঘটিকার সময় দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প.কর্মকর্তা ডাঃমোস্তাফিজুর রহমান যানান দশমিনা উপজেলা থেকে ৩৩জনের নমুনা সংগ্রহ করে পটুয়াখালী সিভিলসার্জন অফিসে পাঠানো হয় ,সেখান থেকে ২০ জনের নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ পাওয়া যায় কিন্তু ২১এপ্রিল ২ঘটিকায় ৩জনের নমুনা রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া যায়।

৩জনের রিপোর্ট পজেটিভ প্রকাশ পাওয়ার পর দশমিনায় জনমনে আতংক বিরাজ করে। কিন্তু ২৩এপ্রিল সকাল থেকে দশমিনা সদরে রিস্কা/অট্যোরিস্কা চলাচল সমান ভাবে। বাজারে, রাস্তায় লোকজনের অবাদ চলাফেরা। চায়ের দোকান,মুদি দোকান খোলা চোখে পরে দৃশ্যমান। কোন ভাবেই লকডাউন /সামাজিক দূরত্ব মানছেনা দশমিনা উপজেলার রিস্কা,অট্যো রিস্কা,চায়ের দোকান, মুদিদোকন,গার্মেস দোকান।

চায়ের দোকান,রিস্কাচালক,ভানচালক একাধিকবার ত্রান সহায়তা পাবার পর ও
রাস্তায় অবাধ চলাচল। অনেক রিস্কা,অট্রোচালক,মুদিদোকন,গার্মেসের দোকান মালিকের মনে আছে চাপাক্ষোভ সরকারের ত্রান সহয়তা না পাওয়ার পরও তাদের দোকান খোলতে পারছেনা। কিন্তু যাহারা ত্রান সহায়তা পাচ্ছে তারা সর্বোত্ত দোকান করছে। ব্যবসায়ীদের দাবী সকল ব্যবসায়ীদের সমান সুযোগ দেয়া দরকার।