জমি নিয়ে বিরোধে বসত বাড়ি  ভাঙ্গচুর গ্রেফতার ৩ জন

নাগরপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামের মো. আয়নাল হক মিয়ার সাথে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারপিট, ভাঙ্গচুর ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মো. আমিন মিয়া এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।

১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল অনুমানিক ১১ টা এর সময় মেঘনা গ্রামে ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছে বলে জানায়, এলাকাবাসী। সরেজমিনে, উভয় পক্ষ এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আয়নাল ও আমিন, উভয়েই প্রতিবেশী। তাদের বসত বাড়ির পাশে ৪১৬ নং দাগে মোট জমি ছিলো ৬৯ শতাংশ। যার ৩০ শতাংশের ক্রয় সূত্রে মালিক আমিন মিয়া এবং ৩৯ শতাংশের ক্রয় সূত্রে মালিক হয় আয়নাল হক সহ তার পরিবারের লোক।

আমিন মিয়া ভাংচুর, মারপিট ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বাবা ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় সূত্রে মালিক দেশ স্বাধীনের সময় থেকে। তখন থেকেই আমরা ভোগ দখল করে আসছি। সম্প্রতি একই দাগের বাকি ৩৯ শতাংশ জমি তরফ আলীর ছেলেরা কিনে নেয়। কিন্তু এখন আমি জমি পরিমাপ করতে গিয়ে দেখি, জমির নকশায় আমাদের প্লটে জমির পরিমান আছে ৩৪ শতাংশ। আর তরফ আলীর ছেলেদের আছে ৩৫ শতাংশ জমি। তাই আমি নকশা অনুযায়ী ৪১৬ দাগ ৩৪ শতাংশ জমি দাবি করছি।

অপর দিকে তরফ আলীর ছেলেরা আমাকে ৩০ শতাংশের বেশি দিতে রাজি না হওয়াতে আমাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তারা আজ ঘর তুলতে গেলে আমারা তাতে বাঁধা দেই। মৃত তরফ আলী মিয়ার ছেলে মো. লিটন মিয়া, আয়নাল হক ও তার স্ত্রী নাজমা বেগম, ময়নাল হক ও তার স্ত্রী সেলিনা বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন যাবৎ ক্রয় সূত্রে সাবেক ৪১৬ দাগের ৩৯ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছি। আমাদের দখলীয় জমির সকল কাগজপত্র আছে।

সিএস, আরওআর, ভিএস, রেকোর্ড, পরর্চা, খাজনা, খারিজ, দখল, ভায়া দলিল ও সাফ কওলা দলিলে আমাদের জমির পরিমান ৩৯ শতাংশ উল্লেখ আছে। আমরা জমিটি কেনার পর থেকে আজ পর্যন্ত ভোগদখল করে আসছি।  অতীতে আমাদের মাটি ভরাটের প্রযোজনে ঐ জমি থেকে মাটি কাটি এবং বর্তমানে পরিবারের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বসত বাড়ি নির্মানের জন্য নিচু জমিটি মাটি ফেলে ভরাট করি। এতো দিন আমিন মিয়া কেন বাধা দেয়নি।

কিন্তু তিনি বিভিন্ন ধরনের ধান্দা বাজ লোকের প্ররোচনায় আজ আমাদের ঘর ভাঙ্গচুর করে, আমাদের মারপিট করে খরের গাদায় আগুন দেয়। অনুমানিক মাস দেড় মাস আগে তিনি ৩৪ শতাংশ জমি দাবি করায় আমাদের ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানগণ কয়েক দফা বসে মিটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আজ তিনি লোকজন নিয়ে বাড়ির মহিলাদের সাথে নিয়ে চেয়ারম্যান ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কথা অমান্য করে আমাদের উপর হামলা, ভাঙ্গচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটায়।

মৃত হাকিম উদ্দিনের ছেলে মো. আমিন মিয়া, বুদ্দু , ইউনুস, মো. আমিন মিয়ার ছেলে মো. আনিছ, মো. কফিল উদ্দিনের ছেলে মনির মিয়া ও ১৫-২০ পুরুষ মহিলা ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলো। মারপিট, ভাঙ্গচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনার অভিযোগ পেয়ে নাগরপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে। এমন দাঙ্গা হাঙ্গামার বিষয়টির তদন্তে সত্যতা পেয়ে মৃত হাকিম উদ্দিনের ছেলে বুদ্দু (৫৫), ইউনুস (৫৭), মো. আমিন মিয়ার ছেলে মো. আনিছ (৩৫) কে গ্রেফতার করে নাগরপুর থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলম চাঁদ বলেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভাঙ্গচুর, মারপিট, আগুন লাগানোর ঘটনায় তদন্ত পূর্বক একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

নাগরপুরে জমি নিয়ে বিরোধে বসত বাড়ি  ভাঙ্গচুর গ্রেফতার ৩ জন সাকিব খান, নাগরপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের মেঘনা গ্রামের মো. আয়নাল হক মিয়ার সাথে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারপিট, ভাঙ্গচুর ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মো. আমিন মিয়া এর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। ১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল অনুমানিক ১১ টা এর সময় মেঘনা গ্রামে ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছে বলে জানায়, এলাকাবাসী। সরেজমিনে, উভয় পক্ষ এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আয়নাল ও আমিন, উভয়েই প্রতিবেশী। তাদের বসত বাড়ির পাশে ৪১৬ নং দাগে মোট জমি ছিলো ৬৯ শতাংশ। যার ৩০ শতাংশের ক্রয় সূত্রে মালিক আমিন মিয়া এবং ৩৯ শতাংশের ক্রয় সূত্রে মালিক হয় আয়নাল হক সহ তার পরিবারের লোক।

আমিন মিয়া ভাংচুর, মারপিট ও অগ্নি সংযোগের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বাবা ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় সূত্রে মালিক দেশ স্বাধীনের সময় থেকে। তখন থেকেই আমরা ভোগ দখল করে আসছি। সম্প্রতি একই দাগের বাকি ৩৯ শতাংশ জমি তরফ আলীর ছেলেরা কিনে নেয়। কিন্তু এখন আমি জমি পরিমাপ করতে গিয়ে দেখি, জমির নকশায় আমাদের প্লটে জমির পরিমান আছে ৩৪ শতাংশ।

আর তরফ আলীর ছেলেদের আছে ৩৫ শতাংশ জমি। তাই আমি নকশা অনুযায়ী ৪১৬ দাগ ৩৪ শতাংশ জমি দাবি করছি। অপর দিকে তরফ আলীর ছেলেরা আমাকে ৩০ শতাংশের বেশি দিতে রাজি না হওয়াতে আমাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তারা আজ ঘর তুলতে গেলে আমারা তাতে বাঁধা দেই। মৃত তরফ আলী মিয়ার ছেলে মো. লিটন মিয়া, আয়নাল হক ও তার স্ত্রী নাজমা বেগম, ময়নাল হক ও তার স্ত্রী সেলিনা বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন যাবৎ ক্রয় সূত্রে সাবেক ৪১৬ দাগের ৩৯ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছি।

আমাদের দখলীয় জমির সকল কাগজপত্র আছে। সিএস, আরওআর, ভিএস, রেকোর্ড, পরর্চা, খাজনা, খারিজ, দখল, ভায়া দলিল ও সাফ কওলা দলিলে আমাদের জমির পরিমান ৩৯ শতাংশ উল্লেখ আছে। আমরা জমিটি কেনার পর থেকে আজ পর্যন্ত ভোগদখল করে আসছি।  অতীতে আমাদের মাটি ভরাটের প্রযোজনে ঐ জমি থেকে মাটি কাটি এবং বর্তমানে পরিবারের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বসত বাড়ি নির্মানের জন্য নিচু জমিটি মাটি ফেলে ভরাট করি। এতো দিন আমিন মিয়া কেন বাধা দেয়নি।

কিন্তু তিনি বিভিন্ন ধরনের ধান্দা বাজ লোকের প্ররোচনায় আজ আমাদের ঘর ভাঙ্গচুর করে, আমাদের মারপিট করে খরের গাদায় আগুন দেয়। অনুমানিক মাস দেড় মাস আগে তিনি ৩৪ শতাংশ জমি দাবি করায় আমাদের ইউনিয়নের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যানগণ কয়েক দফা বসে মিটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আজ তিনি লোকজন নিয়ে বাড়ির মহিলাদের সাথে নিয়ে চেয়ারম্যান ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কথা অমান্য করে আমাদের উপর হামলা, ভাঙ্গচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটায়।

মৃত হাকিম উদ্দিনের ছেলে মো. আমিন মিয়া, বুদ্দু , ইউনুস, মো. আমিন মিয়ার ছেলে মো. আনিছ, মো. কফিল উদ্দিনের ছেলে মনির মিয়া ও ১৫-২০ পুরুষ মহিলা ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলো। মারপিট, ভাঙ্গচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনার অভিযোগ পেয়ে নাগরপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে। এমন দাঙ্গা হাঙ্গামার বিষয়টির তদন্তে সত্যতা পেয়ে মৃত হাকিম উদ্দিনের ছেলে বুদ্দু (৫৫), ইউনুস (৫৭), মো. আমিন মিয়ার ছেলে মো. আনিছ (৩৫) কে গ্রেফতার করে নাগরপুর থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলম চাঁদ বলেন, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভাঙ্গচুর, মারপিট, আগুন লাগানোর ঘটনায় তদন্ত পূর্বক একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।