চতুর্থ দফা তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে বন্যার আশংকা, বিপদ সীমায় ওঠা নামা করছে পানি প্রবাহ

রেজা মাহমুদ,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: টানা কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজানের পাহাড়ী ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা তীরবর্তী ১৫ টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। এতে করে বড় ধরনের বন্যার আশংকা করা হচ্ছে। গত শনিবার নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সে.মি উপর দিয়ে প্রভাহিত হয়।

তবে গতকাল শনিবার বেলা ১২ টায় নিচে নেমে তা ১৮ সে:মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশের বৃহত্তম ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪ টি গেটেরই জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সূত্র হতে জানা যায়, ওই পয়েন্টের অববাহিকায় ওই পয়েন্টে পানি প্রবাহের বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ মিটার। গত বৃহস্পতিবার বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও শুক্রাবার মাত্র ১২ ঘন্টার ব্যবধানে উলে­খ পরিমান
প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।

বর্তমানে বিপদসীমার ১৮ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যার সৃস্টি হয়েছে। এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, শুক্রবার রাতে নদীর পানি হু হু করে বাড়তে থাকে। এতে ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই,খগাখড়িবাড়ি,টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাপানি,ঝুনাগাছ চাপানি, গয়াবাড়ি এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৈলমারী ও কৈমারী উপজেলার ১৫ টি তিস্তার চর নতুন করে আবারো প্লাবিত হয়।

এর আগে চলতি বছরে পানি প্রবাহ গত ২০ জুন প্রথম বিপদসীমা অতিক্রম করে এর পর ২৬ থেকে ২৯ জুন এবং ৪ জুলাই পানি প্রবাহের বিপদসীমা অতিক্রম করে। নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর ররহমান চৌধুরী বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সং¤িøষ্ট সকল কর্মকর্তাকে ২৪ ঘন্টায় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। বন্যাদূর্গত এলাকায় ত্রান সহায়তা দেয়া অব্যাহত আছে।