গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সোচ্চার হন।


দেশে লবণের চাহিদা কম-বেশি ১ লক্ষ্য মেট্রিক টন। অন্যদিকে লবণের মজুদ আছে সাড়ে ৬ লক্ষ্য মেট্রিক টন। সে হিসাবে লবণের কোন ধরণের ঘাটতি বা সংকটের প্রশ্নই ওঠে না।

মজুদ লবণের মধ্যে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের লবণ চাষিদের কাছে ৪ লক্ষ্য ৫ হাজার মেট্রিক টন এবং বিভিন্ন লবণ মিলের গুদামে ২ লক্ষ্য ৪৫ হাজার মেট্রিক টন লবন রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে বিভিন্ন লবণ কোম্পানির ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে লবণ মজুদ রয়েছে।

পাশাপাশি চলতি নভেম্বর মাস থেকে লবণের উৎপাদন মৌসুম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপজেলায় উৎপাদিত নতুন লবণ বাজারে আসতে শুরু করেছে। লবণ সংক্রান্ত বিষয়ে তদারকির জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) প্রধান কার্যালয়ে ইতিমধ্যে একটি ‘কন্ট্রোল রুম’ খোলা হয়েছে।