কুষ্টিয়া দৌলতপুর গৃহবধূর শ্লীলতাহানি, বখাটেদের গ্রেপ্তারের দাবি।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লালনগর গ্রামের আতিয়ার মালিথার ছেলে মো.রাসেল, আকবর মালিথার ছেলে শাহারুল ইসলাম সহ চার বখাটের বিরুদ্ধে। গত ১৯/০৬/২০২০ইং তারিখ সকাল ১১টায় ওই গৃহবধূ চিকিৎসার জন্য মিরপুরে গেলে মজিদ মার্কেটের পিছনে পৌঁছালে এ ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে করোনা পরিস্থিতির কারনে বিলম্ব হওয়ায় গত ২৭/০৭/২০২০ ইং তারিখে গৃহবধূ সুমি খাতুন বাদী হয়ে ৪জনের নামে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রামে নানান অভিযোগ রয়েছে। তারা প্রভাব খাটিয়ে নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার করে। এছাড়াও মামলার ২নং আসামী রাসেলের নামে নারী কেলেঙ্কারি সহ বিস্তর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে চায় না।

কুষ্টিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে করা মামলায় উল্লেখ করা হয়, নিজের চিকিৎসার জন্য মিরপুরে যায় লালনগর গ্রামের সেলিম রেজার স্ত্রী সুমি খাতুন। সে সময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আসামি গন দুটি মোটর সাইকেল যোগে এসে তার পথরোধ করে , ১নং আসামী শাহারুল গৃহবধূর হাত ধরিয়া টানা ছেচড়া করিতে থাকে এবং দুই নম্বর আসামি রাসেল তার বোরকা ধরে টানাটানি করে এবং বিভিন্ন ভাবে তাকে হুমকি ধামকি দিতে থাকে এবং এই সব কথা কাওকে বললে তার স্বামী সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

এসময় ওই গৃহবধূ চিৎকার করলে তার গলায় থাকা স্বর্ণের ৩০ হাজার টাকা দামের চেইন এবং নগদ ৩হাজার টাকা নিয়ে বখাটেরা পালিয়ে যায়,পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান গৃহবধূর পরিবার ও স্বজনেরা।