কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে, ১০ বছরের শিশুকে বলাৎকার করছে ৩৫ বছরের হিরা।

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

নিউজডেস্কঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আড়িয়া গ্রামের মোঃ মোস্তফা’র তিন ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে, চতুর্থ শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থী মোঃ বকুল (১০) কে বলাৎকার করেছে একই উপজেলার আড়িয়া গ্রামের মোল্লাপাড়ার – আবুবক্করের ছেলে মোঃ হিরা (৩৫) নামের এক যুবক।

ঘটনা ২৬-১০-২০১৯ইং ৫টার দিকে ঘটার পরে রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে। অল্প সময়ের মধ্যে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার বিষয়ে ভুক্তভোগীর বাবাকে আশ্বস্ত করেন।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, শিশুটি মাঠে বিকেলে খেলছিল, খেলার ফাকে কোনো এক সময় আপরাধী হিরা গোপন কথা আছে বলে ফুসলিয়ে বকুলকে পাশের বাগানে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার পরে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। বলাৎকারের সময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ঘটনা স্থলে পৌছানোর আগেই বলাৎকারকারি হিরা পালিয়ে যায়। কিন্তু বলাৎকার কারি হিরা, ভুক্তভোগি বকুলের পূর্ব পরিচিত হওয়ায় তাৎক্ষনিক ভাবে অপরাধীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে গুরুতর অবস্থায় পাশের বাগান থেকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্টিয়া তে ভর্তি করেন। এখন চিকিৎসা চলমান রয়েছে।

বলাৎকারকারি হিরা ১ বছর ধরে “জে আর পরিবহন” এ হেলপারি করছে। পূর্বেও এরমক একাধিক ঘটনা ঘটার চেষ্টা করেছে।

হিরার ঘরে সুন্দরী নিজ স্ত্রী থাকা সত্তেও সে বার বার এধরণের কুকর্ম করার সাহস পাচ্ছে সমাজের কিছু প্রভাবশালির কারণে। এবারও সেই কথিত প্রভাবশালিদের সঙ্গে অনৈতিক ভাবে অর্থ লেনদেন করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই প্রভাবশালি দুই থেকে তিনজন নেতা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য হুমকি দিয়েছে ভুক্তভোগীর বাবাকে।

ভুক্তভোগী বকুলের পরিবার একদিকে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে অপরদিকে আর্থিক ভাবে অসচ্ছল হওয়ার কারনে বকুলকে এখনো উন্নত চিকিৎসা দিতে পারেনি।

এব্যাপারে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে আজ দুপুর ২ টার দিকে দৌলতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং – ৪৭, তারিখ: ২৭-১০-২০১৯ ইং।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আরিফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কোনো সারা পাওয়া যায়নি। মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত এস আই – মোঃ আমিরুল ইসলাম এর মোবাইল ফোনম্বারও বন্ধ পাওয়া যায়।