কালীগঞ্জে তিনজন ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের উদ্যোগ উপজেলা প্রশাসনের


কালীগঞ্জে প্রতিনিধি: কালীগঞ্জে তিনজন ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের জন্য ঘর, দোকান ও রিকশা কিনে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। সোমবার বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিকের সভাপতিত্বে এনজিও বিষয়ক মাসিক সমন্বয় সভায় তিনজন ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের গোল্লারটেক গ্রামের ভিক্ষুক কমলা বেগমকে সরকারি অর্থায়নে একটি ঘর বানিয়ে দেওয়া হবে। ভিক্ষাবৃত্তিতে না জড়ানোর জন্য আমার বাড়ী আমার খামার প্রকল্প অধিদপ্তর থেকে ২০ হাজার টাকা মূলধন দিয়ে দোকান করে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে একই ইউনিয়নের নারগানা এলাকার ভিক্ষুক ইয়াকুব আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে থাকার জন্য সরকারি অর্থায়নে একটি ঘর করে দেয়া হবে।

পাশাপাশি ভিক্ষাবৃত্তি অভিশাপ থেকে বাঁচার জন্য একটি রিকশা দেয়া হবে তাকে। সেই রিকশা ভাড়া দিয়ে সে জীবিকা নির্বাহ করবে। বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের দক্ষিণবাগ এলাকার ভিক্ষুক মো. আবু তাহেরকে একটি রিকশা কিনে দিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সেই রিকশা ভাড়া দিয়ে ভাড়ার টাকায় তার পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করবে সে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিক বলেন, তিনজন ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একজনকে ঘর ও দোকান করে দেয়া হবে। আরেকজনকে একটি ঘর ও জীবন চলার জন্য রিকশা কিনে দেওয়া হবে। অপরজনকে শুধু একটি রিকশা কিনে দেয়া হবে।

যাতে সে রিকশা ভাড়া দিয়ে চলতে পারেন। ছবির ক্যাপশন ঃ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিকের সভাপতিত্বে এনজিও বিষয়ক মাসিক সমন্বয় সভায় তিনজন ভিক্ষুককে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।