কলেজ পড়ুয়া একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী অপহরনের অভিযোগ।

প্রতীক ছবি

কে এম শাহীন রেজা, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া উদিবাড়ী এলাকার নাজমুন হোসেনের মেয়ে কলেজ পড়ুয়া একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী (১৬) অপহৃত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মেয়ের পিতা নাজমুন হোসেন প্রতিবেদকে জানায়, গত ০২/০৬/২০২০ইং তারিখে আমার বোনের বাড়ী কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নওয়াপাড়া গ্রামে বেড়াতে যায়। পরদিন ০৩/০৬/২০২০ইং তারিখে নওপাড়া থেকে অনুমান বিকাল ৩ ঘটিকার সময় আমার বোনের বাড়ী থেকে আমার নিজ বাড়ীতে আসার জন্য রওনা হলে মেয়ে আর বাড়ীতে ফিরে আসে নাই।

তারপর থেকে আমরা অনেক খোঁজাখুজি করে জানতে পারলাম আমার মেয়ে অপহরন হয়েছে। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি যে, নওপাড়া আমার বোনের বাড়ীর কাছ থেকে মেয়েকে বাড়াদি এলাকার রোমন (৩০) তার সহযোগী শফিকুল ইসলাম শফি (৩৫) সহ আরো ৩/৪ জন একত্রে মিলিত হয়ে মেয়েকে জোর পূর্বক ইজিবাইকে উঠায়ে নিয়ে যায়। উক্ত রোমান একজন লম্পট ও চরিত্রহীন ব্যক্তি বলে এলাকাবাসী জানে এবং সে একজন বিবাহিত পুরুষ তাঁর স্ত্রী সন্তান ও রয়েছে।

তিনি এটাও বলেন লম্পট রোমান দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়েকে উত্যক্ত করে আসছে তারই সূত্র ধরে গত ৩ তারিখে আমার মেয়েকে জোঁর পূর্বক তার সহযোগীগের সাথে নিয়ে আমার অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। মেয়েকে জোঁর পূর্বক উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় মেয়ের ডাক চিৎকারে নওপাড়া এলাকার পার্শ্ববর্তী লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসার আগেই অপহরণ কারীরা ইজিবাইক যোগে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও মেয়ের কোন সন্ধান না পাওয়ায়।

মাসুদ রুমি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর পিতা নাজমুন হোসেন বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়রী করেন যার নং ১৬৪ তারিখ ০৩-৬-২০২০ইং। এ বিষয়ে শফিকুলের মোবাইলে ফোন করে এর সত্যতা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ের সংগে জড়িত নই, তবে রোমান যে একজন লম্পট ব্যক্তি তা তিনি স্বীকার করেন এবং সে একজন বিবাহিত পুরুষ তার পরিবার আছে তবুও উক্ত মেয়েটিকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিবাহ করেন বলে স্বীকার করেন তবে আমি এর সাথে জড়িত নেই বলে প্রতিবেককে জানান।

অন্যদিকে রোমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্দ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে অপহৃত কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার ও লম্পট রোমানসহ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ছাত্রীর পিতা নাজমুন হোসেন।