এ কেমন লুকোচুরি খেলা চলছে, পুলিশ প্রশাসনের সাথে।

ছবি: কালিদাসপুর পুলিশ ক্যাম্প বাজার এলাকা থেকে তোলা। জিল্লুর

মোঃ জিল্লুর রহমান: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও সচেতনামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন নানামুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচি প্রথমটি হচ্ছে, মানুষের গণজমায়েত এড়িয়ে চলা, নূন্যতম ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করা। গণজমায়েত যেন না হয়, সে কারনেই বিকেল ৩ টার পরে ঔষদের দোকান ছাড়া সকল প্রকার দোকান বন্ধ রাখা।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে! কে শোনে কার কথা? এরই ধারাবাহিকতায়, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার কালিদাসপুর পুলিশ ক্যাম্প বাজার সহ, বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ প্রশাসনের সঙ্গে খেলছে লুকোচুরি। প্রশাসনের টহল টিম বাজারে এক পাশ থেকে দোকান বন্ধ করে চলে যাচ্ছে আর এক পাশ থেকে খুলে রীতিমত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনি একটি চিত্র কালিদাসপুর পুলিশ ক্যাম্প বাজার এলাকার থেকে তোলা ছবি।

এ চিত্র উপজেলার প্রতিটা বাজারের। যে কারনেই থেমেনেই গণজমায়েতে কমাতে পারছে না উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু অনুসন্ধানে গেলে দেখা যায়, অনেক সময় বাজারের দোকান গুলো বন্ধ থাকলে ও রীতিমতো চলছে ব্যবসা, দেখা যাচ্ছে, সাটার নামানো নেই তালা দরজায় টোকা দিলেই যেন ভেসে আসছে গায়েবী আওয়াজ কি লাগবে? এছাড়াও চা-দোকান বন্ধ থাকলেও বাড়ির ভিতরে রমরমা চলছে চা- ব্যবসা।

এ বিষয়ে চা- ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তারা জানান। আমরা অসহায় গরীব মানুষ, এটা দিয়েই আমাদের সংসার চলে। তবে কাস্টমারের কাছে জানতে চাইলে তারা জানিয়েছেন আমরা সারাদিন মাঠে কাজ করে খাই, বিকেলে চা-পান না খেলে যেন ভালো লাগেনা। এ সারিতে আছে, গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকার মানুষ । এ গণজামায়াত যেন থামানো যাচ্ছে না, যেন হার মেনে গেছে কালিদাসপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এ এস আই রবীন্দ্রনাথ ও এ এস আই তরিকুল ইসলাম। এ বিষয়ে কালিদাসপুর পুলিশ ক্যাম্প”এর এ এস আই তরিকুল ইসলাম জানান আমরা কি করবো, প্রতিদিনই তাদের কে বলা হচ্ছে, তবুও মানছেনা।

এ বিষয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা কাছে জানতে চাইলে তারা এই প্রতিবেদক কে জানান আমরা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে মানুষ কে সচেতন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি তারপর ও মানুষ সচেতন হচ্ছে না। তবে এত বোঝানোর পরও যদি জনসাধারণ সরকারের আইন অমান্য করে তাহলে আমরা কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবো।