ইয়াং লেডি বিউটি পার্লারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান,

ফরিদপুর: অনুমোদনহীন প্রসাধনী জব্দ, জরিমানা আদায় ফরিদপুর সংবাদদাতাঃ ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলি এলাকার জেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ সংলগ্ন বহুতল ভবনের ২য় তলায় ইয়াং লেডি নামক একটি বিউটি পার্লারে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। আজ ২৩ জুলাই বেলা ১১ টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান। সম্প্রতি পার্লার মালিক শান্তা ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে প্রচার করেন যে তার পার্লারে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ ছাড়াও লেজার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে স্কিনের দাগ ও পেটের চর্বিও দুর করে থাকেন।

আর এখানেই প্রশাসনের চোখ আটকে যায়। যে কাজ চিকিৎসকেরা করবেন সে কাজ পার্লারে হচ্ছে কেন? বিষয়টি খতিয়ে দেখতেই ভ্রাম্যমান আদালত এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তার প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন বিদেশী বিভিন্ন ক্রিম, চুলের তেল ইত্যাদি জব্দ করা হয় এবং তিনি যে লেজার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে ত্বকের দাগ বা পেটের চর্বি দুর করার কাজ করেন তার কোন বৈধতা দেখাতে পারেননি।

পারেননি কোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার কোন সার্টিফিকেট দেখাতে এবং সরকারি কোন অনুমোদন দেখাতে। ফলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান মালিককে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ ছাড়া লেজারের মাধ্যমে কোন কাজ না করতে নির্দেশ প্রদান করা হয়।

তাছাড়া অনতিবিলম্বে সরকারি সকল অনুমোদন নিয়ে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল শেখ, জেলা স্যানিটারি অফিসার বজলুর রশিদ খান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাসিম আহমেদসহ জেলা পুলিশের একটি টিম সহযোগীতা করেন।

ডাঃ মোঃ নাসিম আহমেদ এ বিষয়ে জানান, লেজার ট্রিটমেন্ট করতে হলে তাকে চর্ম বিশেষজ্ঞ হতে হবে আর ইনি যেহেতু চিকিৎসক নন তাই তার এ কাজ করার কোন বৈধতা নেই। একজন মানুষকে এমবিবিএস পাশ করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হওয়ার সাথে সাথে লেজার ট্রিটমেন্টের জন্যও আলাদা কোর্স করতে হয়। এভাবে লেজার ট্রিটমেন্ট মানেই ক্ষতি। এর ফলে একটা সময় পর এরা বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হয়।