আল আমিন এর নিজ উদ্যোগে ৫নং সিরতা ইউনিয়নে খেটে খাওয়া মানুষদের মাঝে খাদ্য দ্রব্য বিতরণ


গোলাম কিবরিয়া পলাশ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি: বর্তমান গুটা বিশ্বে “করোনা ভাইরাস” নামক মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে আজ অনেক দেশেই মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। এই করোনা ভাইরাস” নামক মহামারীতে আমাদের বাংলাদেশেও আক্রান্ত হয়েছে মোট ৫৬ জন এর মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়। এই পরিস্থিতিতে ময়মনসিংহ জেলায় সদর উপজেলার ৫নং সিরতা ইউনিয়নে “করোনা ভাইরাস” নামক মহামারীর সংকটে ময়মনসিংহের হত দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষদের মাঝে মাক্স ও খাদ্য দ্রব্য বিতরণ করেন।

জানতে পারি ময়মনসিংহ মহনগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, জনাব, মোঃ মোহিত উর রহমান শান্ত এর দিকনির্দেশনায় ৫নং সিরতা ইউনিয়নের ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক, প্রিয় নেতা, সিরতা ইউনিয়নের জনগণের সুখে দুখে পাশে থাকেন যে নেতা, জনাব, মোঃ আল আমীন এর নিজ উদ্যোগে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ৫নং সিরতা ইউনিয়নে করোনা সংকটে হত দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষদের মাঝে মাক্স ও খাদ্য দ্রব্য বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ৫নং সিরতা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের অংঙ্গ সংগঠনের নেত্রীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

৫নং সিরতা ইউনিয়নের চর ভবানী পুর গ্রামের জনাব, মোঃ আল আমিন সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে নতুন প্রজন্মের ধারক বাহক হিসেবে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জনাব, মোঃ আল আমিন সাহেব বলেন বর্তমান “করোনা ভাইরাস” মহামারীর সংকটে হতদরিদ্র প্রায় ৫০ পরিবারে কিছু ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এই মূহুর্তে যা উপলব্ধি করে দেখা যায় খেটে খাওয়া মানুষজন করোনা ভাইরাসে নয় টাকার অভাবে অনাহারে মারা যাবে। তাই ৫নং সিরতা ইউনিয়নের প্রাণ প্রিয় নেতা জনাব, মোঃ আল আমীন সাহেব এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন ৫নং সিরতা ইউনিয়নের চর দূর্গাপুর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জনাব, মোঃ আব্দুল মোতালেব মেম্বার, উনার বাবা মোঃ হারুন অর রশীদ, চর ভবানী পুর, মোঃ সুরুজ আলী, চর ভবানী পুর কোণাপাড়া। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে জনাব, মোঃ আল আমিন বলেন তা ৫ নং সিরতা ইউনিয়নে চলমান থাকবে। আমরা এদেশের সন্তান তাই ৫ নং সিরতাবাসী সকলে জনসচেতনতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজে বাঁচি অন্যকে বাঁচানোর চেষ্টা করি।

৫নং সিরতা ইউনিয়নের জনাব, মোঃ আল আমিন সাহেবের বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি মানবিক মতামত, এই পরিস্থিতিতে সমাজের বিত্তবানদের উদ্দেশ্যে আমরা কি! অসহায়, দিনমজুর, ভিক্ষুকদের সাহায্য করতে পারি না? ভাই ১০০ /২০০ টাকা কিছু না আজ মরেগেলে সব পরে থাকবে। যেহেতু সুযোগ এসেছে তাই সমাজের বিত্ত্ববানদের বলবো এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়ায়, আমরা অসহায়, দিনমজুর, ভিক্ষুকদের দুর্দিনের সঙ্গী হই।