আমাদের লক্ষ্য দুস্থ পরিবারের মেধাবী ছাত্র গুলোকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য সহযোগিতা করা।

কোমল চাঁদ: কালিদাসপুর স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন কে এস এ ছাত্রদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার অনুপ্রেরণা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১২ সালে। প্রতিষ্ঠা লগ্নে ছিল পারভেজ , জনি, হাসান এবং আব্দুর রহিম ভাই, কেয়ারুল, রিপন , মোরশেদ। আমাদের লক্ষ্য ছিল আমরা দুস্থ পরিবারের মেধাবী ছাত্র গুলোকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য সহযোগিতা করা। ধীরে ধীরে অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য তাদের পাশে দাঁড়ানো শুরু হল।

আমরা বিগত দিনগুলোতে রমজান মাসে ঈদ উদযাপন করার জন্য সহযোগিতা করেছে স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন কে এস এ প্রথম দফায় করোনাভাইরাস কোভিট নাইনটিন বিশ্ব যখন মৃত্যুপুরীতে রূপান্তরিত বাংলাদেশ হুমকির মুখোমুখি এমত অবস্থায় কালিদাসপুর স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অত্র এলাকার কালিদাসপুর তালবাড়ী লালনগর লক্ষীপুর এই চার গ্রামের মধ্যে প্রথম দফায় ৬২ পরিবারের মধ্যে খাদ্য উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছিল ।

২য় দফায় আমাদের আর্থিক সহায়তা বেশি থাকার কারণে এই চারটা গ্রামেই ৩০০ দুস্থ পরিবারের মধ্যে খাদ্য উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেয়ার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কালিদাসপুর স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন কে এস এ কালিদাসপুর গ্রামের প্রবাসী ও চাকরিজীবীদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা অর্জন করেছে। সেই সাথে তালবাড়িয়া , লালনগর ও লক্ষীপুরের কিছু কিছু আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেছে এগুলোকে একত্রিত করে ৩০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে।

সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কে এস এ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র জনাব মোঃ আবুল হাসান এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করে কে এস এ এর সকল সদস্যকে সাথে নিয়ে আমাদের কাজগুলোকে সফল করে তুলেছেন বর্তমান সভাপতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র মোহাম্মদ রুহুল আমিন মন্ডল। কালিদাসপুর স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সততার সাথে ও নিষ্ঠার সাথে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংগৃহীত অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার সম্পন্ন করছে এবং পরবর্তীতে আরও এই ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে ইনশাআল্লাহ ।

আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি যে সকল প্রবাসী চাকরিজীবীরা অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য উৎসাহিত ও ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।