আমতলীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ।

আমতলী(বরগুনা) প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডে এক ব্যাংক কর্মকর্তা কর্তৃক সরকারী জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মান করায় বৃহস্পতিবার সকালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজের বাড়ীতেও নয় শশুর বাড়ীতে এসে নিজের ইচ্ছামত আমতলী পৌরসভার ৩নং
ওয়ার্ডের বাইতুল আমান জামে মসজিদ সলগ্ন ৩নং ওর্য়াডের চাওড়া মৌজার দাগ নং ৯১৭ এর ৩০ শতাংশ সরকারী জমি জুড়ে একটি পুরনো পুকুর বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলে মো. মজিবুর রহমান।

পুকুরটি তড়িঘড়ি করে ভরাট করার পরই চার পাশে টিন দিয়ে উচু দেয়ালের মত নির্মাণ করে ভিতরে বহুতল ভবন নির্মান কাজ শুরু করেন। এ কারনে ঐ এলকায় বসবাসরতদের বাসা বাড়ীতে সামন্য বৃষ্টিতে পানি উঠে তলিয়ে যায়। আমতলী ভুমি অফিস সূত্রে জানা যায় , ২০১৯ সালের ৫ জুলাই আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি কমলেশ মজুমদার সরেজমিন পরিদর্শন করে মজিবুর রহমান কর্তৃক নির্মানাধীন ভবনের কাজ বন্ধ করে দিয়ে জরুরী ভাবে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলার ও বাড়ী নির্মানের ফলে এলাকায় বসবাসরতদের পানি নিস্কাষনের জন্য পথ খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়ে ছিলেন ।

কিন্তু সহকারী কমিশনার ভূমির আদেশ অমান্য করে কৃষি ব্যাংক কর্মকতা মো. মজিবুর রহমান ২২ সেপ্টেম্বর পুনরায় ভবনের কাজ শুরু করেন। তখন স্থানীয়রা বিষয়টি তৎকালীন সহকারী কমিশনার ভুমিকে জানালে পুনরায় সরেজমিন পরিদর্শন করে কাজ বন্দ করে দেনএবং মজিবর রহমানকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। এরপর মজিবুর রহমান বাড়ী নির্মানের কাজ বন্দ রেখে অবৈধ স্থাপনা আর সরায়নি।

সারা বিশ্বের মানুষ যখন প্রানঘাতি করোনা ভাইরাসের আতংকের মধ্যে জীবন যাপন করছেন এর মধ্যেই মজিবর রহমান ৬ মে বুধবার রাত ৮টার সময় বালু ভরাট করার কাজ শুরু করলে আশ পাশের ৪/৫ টি পরিবারের ঘরে মধ্যে পানি উঠে যায়। তখন ঐ পরিবারের লোকজন বিষয়টা আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে সে তাৎক্ষনিক ভূমি সহকারী কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে বালু ভরাটের কাজ বন্ধ করে দেন।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন ভুমি অফিসের কর্মকর্তাদের নিয়ে মো. মজিবুর রহমানের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে লাল নিশান টানিয়ে দিয়ে যান। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন মুঠোফোনে বলেন,সরকারী সম্পত্তি কেহ অবৈধভাবে দখল করতে পারবেনা । দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।