আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা ছিলো বাঙ্গালীর আশ্রয় কেন্দ্র

মো: ইব্রাহিম হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা ছিলো বাঙ্গালীর আশ্রয় কেন্দ্র, মনের মানচিত্রের স্বাধীনতা ভাষার বিস্তার। ক্রিকেট না বুঝলে, দেখার আনন্দ কি? রাজনীতি না বুঝে, করার আনন্দ ও স্বার্থকতা কোথায়। আমরা অনেকেই এখন রাজনীতিকে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মনে করি। পদ চাই, চাই পদবী, চেয়ারম্যান মেম্বর কাউন্সিলর থেকে এমপি মন্ত্রীর দামদর নির্ধারিত হয়, দলে না হলেও মানুষের মূখে বিস্তার হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একার পহ্মে এ অপবাদ সামাল দেওয়া সম্ববও নয়। রাজা-বাদশা, জমিদারদের দাশ্যত্ব প্রথা বিলুপ্তের জন্য রাজনীতি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে মুক্তির লহ্মে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার জাগাতে, বাংলার কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষকে প্রতিবাদ শিখাতে ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। একটি মানচিত্রের স্বপ্ন দিয়ে শুরু হলো। ভাষা, শিহ্মা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, ঐক্য ছাড়া অর্জন সম্বব নয়, একমাত্র আওয়ামী লীগই জাতির সামনে উৎথাপন করতে পেরেছে।

ত্যাগ ছাড়া জাতীয় ঐক্য হবে না, ত্যাগের জন্য বাঙ্গালী মাঝে সঠিক নির্দেশকের অভাব ছিলো বলেই বাংলাকে পুর্ব ও পশ্চিম হতে হলো। পরাধীনতার শিকল পড়তে হলো পায়, গায়, মনকে করা হলো বন্দী। নিপীড়নের যাতাকল বসানো হলো, বাংলার স্বাধীন মানচিত্রকে করা হলো ক্ষত বিক্ষত।দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, আশার আলো, বাংলা ভাষার মোহনবাসী হাতে আবিস্কার হলো মুজিুব নামে কিশোর শেখ মুজিবুর রহমান।

গোপালগঞ্জে টঙ্গীপাড়া অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে আসলো নেতৃত্বের আসনে। জীবন যৌবন কারাগারে থেকেও বাঙ্গালীর স্বাধীনতাকে নিয়ে ছিলেন আপোষহীন। বড় বড় বাঘা বাঘা নেতাদের নেতৃত্বকে প্রশ্নবৃদ্ধ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের আসনে। আনন্দ বেদনার ৭১ বছর। অর্জনের স্বাধীনতা, ভাষার জন্য একুশ। উন্নয়নের শেখ হাসিনা আজ অপ্রতিরোদ্ধ। ভারতীয় বাঙ্গালী নেতৃত্বের অভাবে, ছোট ছোট স্বার্থ বিষর্জন না দেওয়ার কারনে স্বাধীনতার স্বাদ থেকে আজও বঞ্চিত, আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিব পশ্চিম বঙ্গে জন্মগ্রহণ করে নাই বলে।

আওয়ামী লীগ নিয়ে অনেকেই আজ রাজনৈতিক বিতর্ক করেন, অনেক রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করে, রাজনৈতিক ব্যবসায়ী হয়েছেন, হয়েছেন শিল্পপতি, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী,বাঙ্গালীর অন্তরে অবস্থান করতে পারেন নাই। আমি বলছি না ৭১ বছরের আওয়ামী লীগ জাতির সব স্বপ্ন পুরন করতে পেরেছে।

আওয়ামী লীগ তার নেতৃত্ব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রহ্মা করতে পারেনি, এর চেয়ে বড় ব্যার্থতা আর কি হতে পারে। ব্যার্থ আওয়ামী লীগের জন্য বাঙ্গালী দুইশত বছর পেছাতে হয়েছে আমি মনে করি। শেখ হাসিনা বাশী নয়, লাঠি হাতে নিয়ে আবির্ভাব না হলে আওয়ামী লীগ ঐক্য হারিয়ে যেভাবে উপদলে পরিনত হয়েছিলো, বাঙ্গালী হারিয়েছিল নেতৃত্ব।

যুদ্ধাপরাধী, বঙ্গবন্ধু হত্যা, মাদক ব্যবসায়ী, কালো বাজারী, ব্যাংক লুটেরাদের বিচার কি সম্বব হতো। আওয়ামী লীগেও কিছু লুটেরা সৃষ্টি হয়েছে, তবে তারা বিচার মুক্ত হতে পারে নাই। অনেক লুটেরা কারাগারে। অনেক আদর্শবান নেতাকে হারাতে হয়েছে, গড়ে উঠেছে, এখনো বাঙ্গালীর আদর্শ একমাত্র আওয়ামী লীগই বুকে ধারন করে আছে।

তাই আমি একজন আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার কর্মী হতে পারায় গর্ব অনুভব করি।সফলতা কামনা করি আশা করি বাংলার মেহনতি মানুষের পাশে থেকে আওয়ামী লীগ সঠিক পথের নির্দেশনা দিতে পারবে। লেখকঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামলী লীগের সভাপতি জনাব রবিউল আলম।