অনেকদিন এমন দৃশ্য দেখা যায়নি, নিস্তব্ধ নগরে পরিণত হয়েছে।

ছবি: শুক্রবার(২৭ মার্চ-২০২০) বিকেলে কালিদাসপুর ক্যাম্প বাজার এর চিত্র।

জিল্লুর রহমান: অনেকদিন এমন দৃশ্য দেখা যায়নি। নিস্তব্ধ নগরে পরিণত হয়েছে। মাঝে মাঝে পুলিশের বাঁশির হুঁইসেল আর দু’একটি পণ্যবাহী গাড়ির ভেঁপু ছাড়া আর কোনো শব্দ শোনা যাচ্ছে না। দুইদিন আগেও কোলাহল মুখরিত ছিল যে শহরটি, সেটি এখন সম্পূর্ণ ফাঁকা। বন্ধ রয়েছে দোকানপাট, চলাচল করছে না ভ্যান ও ভারী যানহাবন। শুক্রবার(২৭ মার্চ-২০২০) বিকেলে কালিদাসপুর ক্যাম্প বাজার এর চিত্র ছিল এমনটাই।

এ চিত্র রড়গাংদিয়া মোড়, দৌলতপুর থানা মোড়, খলিসাকুন্ডি সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতেও। মোড়ে মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ টহল দিতে দেখা যায়। হ্যান্ডমাইকে লোকজনকে বের হতে বা গণ-পরিবহনে চলতে নিষেধ করছেন পুলিশ সদস্যরা।

করোনার সংক্রমণ রোধে প্রশাসনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়ে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। চলছে না রিকশা-ভ্যান, অটোরিকশা সিএনজিসহ সকল প্রকার গণপরিবহণ। বন্ধ রয়েছে শহরের সকল বিপণীবিতান। খোলা হয়নি,অপ্রোজনীয় ভাসমান দোকানপাটও।

কালিদাসপুর ক্যাম্প বাজার এর ব্যবসায়ী,আব্দুল্লাহ্ আল মামুন “বাংলায় প্রতিদিন”কে জানান, আগে জীবন বাঁচাতে হবে, তারপর ব্যবসা। এ কারণে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী দোকান বন্ধ রেখেছি। পুরো এলাকায় একেবারে ফাঁকা। রিকশা ভ্যানও চলছে না। এরমধ্যে দোকান খুলে কোনো লাভ নেই। বিশ্বজুড়ে মহামারিতে রুপ নেওয়া করোনা রোগের সংক্রমণ রোধে প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে, আমরা সাধুবাদ জানাই।

তবে এ বিষয়ে কালিদাসপুর পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এ,এস আই রবীন্দ্রনাথ, এ,এস আই মোঃ তরিকুল ইসলাম, “বাংলায় প্রতিদিন”কে বলেন  এলাকাবাসী সকল নির্দেশনা মেনে ঘরে রয়েছে। সবাই বুঝতে পেরেছে আমাদের ভালোর জন্যই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এমন জরুরি মুহুর্তে গণজমায়েত নিয়ন্ত্রণ ও কোয়ারেন্টিন মেনে চলতে  আমরা কাজ করছি। টহলরত পুলিশের পাশাপাশি একাধিক মোবাইল টিম আছে।