অটো গ্যারেজে রাখা ৮০ বস্তা ত্রাণের চাউল নিয়ে নানা গুঞ্জন।

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া শহরের চৌড়হাস ঢাকায় সিকু ও মেছো বাবুর যৌথ পার্টনারে অটো গ্যারেজে রাখা ৮০ বস্তা ত্রাণের চাউল নিয়ে নানা গুঞ্জন। আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যায় প্রশাসন ওই গ্যারেজে অভিযান চালায়। পরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এসে গোডাউন সিলগালা করে।

জানা যায়, সিকু একজন অটো গ্যারেজ মালিক। তার সাথে হাজার ১৯ নম্বর কুষ্টিয়া পৌর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মেছো বাবুর ভালো সম্পর্ক রয়েছে। গতকাল গভীর রাতে দুই অটো যোগে এই চাউল সিকুর অটো গ্যারেজের পাশের গোডাউনে রাখে। এই দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। তারা প্রশাসনকে জানায়। স্থানীয়দের দাবি, এই চাল ত্রাণের। গভীর রাতে বস্তা পরিবর্তন করা হয়েছে।

এদিকে সিকুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, গত ১৬ এপ্রিল বিকেলে এই চাউল মেসার্স শিমুল ট্রেডার্স (দোস্তপাড়া, জগতি, কুষ্টিয়া) থেকে ক্রয় করে সজল ষ্টোর। আমি সেই চাউল আমার গোডাউনে রেখে দিয়েছি। ৮০ বস্তা চাউল ৮৮ হাজার টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে। এটা কোন সরকারি চাউল না। এই চাউল সজল ষ্টোরে না রেখে আপনার এখানে রাখার কারণ কি? জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার ওখানে রাখার জায়গা নেই বলে এখানে রাখা হয়েছে।

এদিকে মেসার্স শিমুল ট্রেডার্স এর প্রোপাইটর সেলিম উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, গতকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে এই চাউল কেনে সিকু। তাহলে এখানে একটা প্রশ্ন থেকে যায় সেটা হল ৮০ বস্তা চাউল পেয়েছে কিন্তু বিভিন্ন ব্রান্ডের চাউল এই বিষয়টি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে মূলত সারারাত ধরে বিভিন্ন বস্তা চেঞ্জ করে সরকারি চাউল গুলো উক্ত বস্তার মধ্যে ভরে।

গত কয়েকদিন আগে আগে ভোলা নামের মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দেড়শ বস্তা চাউল লুকিয়ে রেখেছিল পরবর্তীতে বিভিন্ন ভাবে অর্থের বিনিময়ে কুষ্টিয়া পৌরসভা ফেরত নিয়ে আসে। এই মেসো বাবু চোর হাসে একসময় টাকি মাছের ব্যবসা করত আজ তিনি কোটিপতি বনে গেছেন কিভাবে কোটিপতি বনে গেলেন এটা জনমনে প্রশ্ন জেগেছে।

এদিকে চৌড়হাস এলাকাবাসী জানান, জগতি রেল স্টেশন এর গোডাউন জুটমিলসহ বিভিন্ন জায়গা দখল করে কোটিপতি বনে গেছেন এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং সাধারণ জনগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ি আটকে বলেন এই মেসো বাবু আমাদেরকে তারা দিয়ে লুকিয়ে রেখেছে আমাদেরকে ত্রাণ দেন।

এদিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরী সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমরা আপাতত এই চাউলের গোডাউন সিলগালা করলাম। পরে তদন্ত করা হবে। এদিকে এলাকাবাসী আরো জানান, চৌড়হাস এলাকায় ত্রাণ নিয়ে নয়ছয় হয়েছে। অনেকেই চাউল পায়নি। এই এলাকার কাউন্সিলর মেসো বাবু একজন অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তি। আমরা তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বললে সমস্যা আছে। তাদের দাবি এবিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের। আগামী পর্বে আরো বিস্তারিত দেখুন,,,